ছেলের সঙ্গে প্রসেনজিতের পায়ে ফুটবল, অর্পিতার কণ্ঠ ও নূপুরে গওহরজান, উচ্ছ্বসিত নেটমাধ্যম

প্রসেনজিৎ ও অর্পিতা, ছবি-ফেসবুক

স্মৃতিমেদুরতায় প্রসেনজিৎ (Prosenjit Chatterjee) অতীতচারী ৷ শেয়ার করলেন ছেলের সঙ্গে তাঁর ফুটবল খেলার ছবি ৷ বেশ কয়েক বছরের পুরনো ছবিটি ঘিরে উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা ৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ছেলে তৃষাণজিতের সঙ্গে ফুটবল খেলছেন নায়ক ৷

  • Share this:

কলকাতা : স্মৃতিমেদুরতায় প্রসেনজিৎ (Prosenjit Chatterjee) অতীতচারী ৷ শেয়ার করলেন ছেলের সঙ্গে তাঁর ফুটবল খেলার ছবি ৷ বেশ কয়েক বছরের পুরনো ছবিটি ঘিরে উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা ৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ছেলে তৃষাণজিতের সঙ্গে ফুটবল খেলছেন নায়ক ৷ ছবিতে তৃষাণজিৎ বেশ ছোট ৷ তার থেকেই বোঝা যাচ্ছে বেশ কিছু বছরের পুরনো ছবি এটি ৷ তৃষাণজিতের পরনে ‘এটিকে’-এর জার্সি ৷

প্রসেনজিতের ফুটবলপ্রেম বহুবিদিত ৷ বাবা এবং ছেলে দু’জনেই বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্তিনার ভক্ত ৷ যে ছবিটি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন প্রসেনজিৎ, সেখানে তিনি ছেলের সঙ্গে সম্ভবত কোনও আবাসনের সামনে খোলা চত্বরে ফুটবল নিয়ে মেতেছেন ৷

প্রসেনজিৎ-অর্পিতার একমাত্র ছেলে তৃষাণজিৎ এখন বিদেশে পড়াশোনা করছেন ৷ ছেলের সঙ্গে সঙ্গে নায়ক হয়তো ফিরে গিয়েছেন নিজের শৈশবেও ৷ শেয়ার করা ছবির নাম দিয়েছেন ‘ফ্ল্যাশব্যাক ফ্রাইডে’ ৷ সিনেমার বাইরেও তিনি সপ্তাহান্তের ফ্ল্যাশব্যাকে ৷

তৃষাণজিৎ বড় হয়ে যাওয়ার পর এখন অর্পিতার হাতেও বেশ কিছুটা নিজস্ব সময় ৷ নতুন করে শুরু করছেন অতীতের এই জনপ্রিয় নায়িকা ৷ এখন তাঁর জীবন জুড়ে শুধুই গওহরজান ৷ উনিশ শতকের এই প্রখ্যাত ধ্রুপদ শিল্পী ও নর্তকীর ভূমিকায় মঞ্চে অভিনয় করবেন তিনি ৷ অবন্তী চক্রবর্তীর পরিচালনায় নাটকের নাম ‘মাই নেম ইজ জান’৷ প্রসঙ্গত গওহরজানের সব রেকর্ডের উপরে লেখা থাকত ‘মাই নেম ইজ জান’ ৷ সে সময় শুধু এই লাইনটার জন্যই হু হু করে বিক্রি হত গ্রামাফোন কোম্পানির রেকর্ড ৷ তাঁর আকাশছোঁয়া সাফল্যের জন্য গওহরজানকে বলা হত ‘দ্য গ্রামাফোন গার্ল’ এবং ‘ভারতের প্রথম রেকর্ডিং সুপারস্টার’ ৷ ১৯০২ থেকে ১৯২০ অবধি, দশটিরও বেশি ভাষায় ৬০০-র বেশি গান রেকর্ড করেছিলেন গওহরজান ৷

কিংবদন্তি শিল্পীর চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তুতি হিসেবে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন অর্পিতা ৷ ফেসবুকে মাঝে মাঝে শেয়ার করেন প্রস্তুতিপর্ব ৷ প্রসেনজিতের পায়ে ফুটবল, অর্পিতার কণ্ঠে এবং নূপুরে গওহরজান, নেটিজেনদের উদ্বেলিত হওয়ায় আর কে বাধ সাধতে পারে!

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: