বিনোদন

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘বিকল্প কিছু ভাবা উচিত, শিল্পীদের অসম্মান হোক তা কাম্য নয়’: পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ

‘বিকল্প কিছু ভাবা উচিত, শিল্পীদের অসম্মান হোক তা কাম্য নয়’: পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ

কত্থক সম্রাট বিরজু মহারাজ সমেত ২৭ জন প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস পাঠাল কেন্দ্র ৷ তালিকায় রয়েছে, চিত্রশিল্পী যতীন দাস, সন্তুরবাদক ভজন সোপারি, মোহিনীঅট্টম শিল্পী ভারতী শিবাজীর মতো নাম ৷

  • Share this:

#কলকাতা: কত্থক সম্রাট বিরজু মহারাজ সমেত ২৭ জন প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস পাঠাল কেন্দ্র ৷ তালিকায় রয়েছে, চিত্রশিল্পী যতীন দাস, সন্তুরবাদক ভজন সোপারি, মোহিনীঅট্টম শিল্পী ভারতী শিবাজীর মতো নাম ৷ নোটিসে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে ৷

কেন্দ্রীয় সরকারে ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট’-এর কোটা প্রবাদপ্রতীম শিল্পীরা দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় মাসিক খুব অল্প টাকায় যাকে বলে ‘লাইসেন্স ফি’-এর বিনিময়ে বাড়ি পেয়েছিলেন ৷ কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই শিল্পীদের বাড়িতে থাকার মেয়াদ শেষ এবং নতুন করে এক্সটেনশন হবে না ৷

এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সরোদ শিল্পী পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার জানালেন,

‘খবরটা শুনে অত্যন্ত খারাপ লাগছে ৷ শিল্পীদের মর্যাদা পাওয়া দরকার ৷ বিরজু মহারাজের মতো প্রবাদপ্রতীম শিল্পী ও মানুষের কাছে এটা অত্যন্ত অপমানজনক ৷ ওনার বয়স হয়েছে ৷ শরীরও খারাপ ৷ আমার মনে হয় এই বিষয়টা নিয়ে সরকারের আরও একটু বিবেচনা করা দরকার ৷ দুম করে কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে, বিকল্প পথ ভাবা দরকার সরকারের ৷ না হলে সত্যিই শিল্পীদের অসম্মান হবে ৷ যেটা একেবারেই কাম্য নয় ৷’

নোটিসের কাগজে স্পষ্টই লেখা, ‘এক্সটেনশন সম্ভব নয় ৷ তাই বাড়ি ছাড়ুন !’ হঠাৎ এরকম এক নোটিস পাওয়ায় রীতিমতো বিপাকেই পড়েছেন ৮৩ বছরের প্রবাদপ্রতীম কত্থক শিল্পী বিরজু মহারাজ ৷ তবে তিনিই যে একা এরকম বাড়ি ছাড়ার নোটিস পেয়েছেন তা কিন্তু একেবারেই নয় ৷ বিরজু মহারাজ সমেত ২৭ জন প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস পাঠাল কেন্দ্র ৷ তালিকায় রয়েছে, চিত্রশিল্পী যতীন দাস, সন্তুরবাদক ভজন সোপারি, মোহিনীঅট্টম শিল্পী ভারতী শিবাজীর মতো নাম ৷ নোটিসে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে ৷

কেন্দ্রীয় সরকারে ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট’-এর কোটা প্রবাদপ্রতীম শিল্পীরা দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় মাসিক খুব অল্প টাকায় যাকে বলে ‘লাইসেন্স ফি’-এর বিনিময়ে বাড়ি পেয়েছিলেন ৷ কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই শিল্পীদের বাড়িতে থাকার মেয়াদ শেষ এবং নতুন করে এক্সটেনশন হবে না ৷

নোটিস হাতে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখেছেন বিরজু মহারাজ ৷ সংবাদমাধ্যমকে বিরজু মহারাজ জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে অসুবিধার কথা জানিয়েছি ৷ আশা করি তিনি সব দিক বিচার করে সিদ্ধান্ত নেবে ৷ ’

অন্যদিকে, চিত্রশিল্পী যতীন দাস জানিয়েছেন ‘আমার এটা ছাড়া অন্য কোনও বাড়ি নেই ৷ দুম করে যাব কোথায় ? এতদিন ধরে এখানে আছি৷ এই বাড়ির প্রত্যেকটা ইঁটের সঙ্গে আমি যুক্ত ৷ এই করোনা আবহে, আমাদের তো বিপদে ফেলে দেওয়া হলো ৷’

কুচিপুরি নৃত্যশিল্পী বনশ্রী রাও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘নোটিসের বক্তব্য পড়ে এমনটা মনে হচ্ছে, আমরা যে বাড়ি দখল করেছি ৷ এদিকে ২০১৪ সালে সরকারের পক্ষ থেকে পুরনো বকেয়া হিসেবে গত চার বছরের ৯ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল। দফায় দফায় তা দিয়েও দিয়েছি। তারপরেও এরকম নোটিস !’

Published by: Akash Misra
First published: November 19, 2020, 1:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर