৫০০০ রেকর্ড, ১৫০০ সিডি, ১০০০ ক‍্যসেট? লতা অনুরাগীর বিশাল সম্ভার দেখলে তাক লেগে যাবে

৫০০০ রেকর্ড, ১৫০০ সিডি, ১০০০ ক‍্যসেট? লতা অনুরাগীর বিশাল সম্ভার দেখলে তাক লেগে যাবে

কী ভাবে শুরু হয় এই জার্নি? এক পত্রিকায় স্নেহাশিস দেখেন রফি-র গানের সংখ‍্যায় গরমিল রয়েছে।

  • Share this:

Sreeparna Dasgupta

#কলকাতা: এও কী সম্ভব! লতা অনুরাগী তো অনেকই আছেন। কিন্তু তাঁরই গানের সংখ‍্যা নিয়ে গবেষণা করে চলা গত ২৯ বছর ধরে কী মুখের কথা! লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া ৩৪টি ভাষায় জানা অজানা গানের রেকর্ড তিনি রেখেছেন তাঁর কালেকশনে।নয় নয় করে প্রায় ৫০০০ রেকর্ড,১৫০০ সিডি এবং ১০০০ ক‍্যাসেট রয়েছে স্নেহাশিসের কালেকশনে।

কী ভাবে শুরু হয় এই জার্নি? এক পত্রিকায় স্নেহাশিস দেখেন রফি-র গানের সংখ‍্যায় গরমিল রয়েছে।তখনই তাঁর মাথায় আসে তিনি এইটা নিয়ে কাজ করবেন। তবে কাজ করবেন লতাজির ওপরে।শুরু হয়ে গেল লতাজির রেকর্ড কালেকশনের কাজ।যাকে বলা হয় ডিস্কোগ্রাফি।

lolo

স্নেহাশিস যাওয়া শুরু করলেন কলকাতার ওয়েলিংটনের রেকর্ডের দোকানে।কখন কোন লতাজির রেকর্ড আসছে ,কোনটা তাঁর চাই সবই চাহিদা অনুযায়ী আসতে শুরু করে তাঁর কাছে।এই করতে করতে এখন স্নেহাশিসের কাছে রয়েছে ৫০০০ রেকর্ড,১৫০০ সিডি এবং ১০০০ ক‍্যাসেট।ওয়েলিংটনের রেকর্ডের দোকানে আজও রেয়ার কালেকশন এলে ফোন চলে আসে স্নেহাশিসের কাছে “ লতা আইসে”।

এখানেই শেষ নয়।লতা গীতকোষ নামে ৬টি ভলিউমের বইও প্রকাশ করেছেন স্নেহাশিস।কি রয়েছে তাতে? প্রথম ভলিউমে রয়েছে লতাজির গাওয়া সব বাংলা গানের ডিটেল্স।

গানের নাম,সাল,লিরিক,গীতিকার,সুরকার এবং রেকর্ড নাম্বার। বোঝাই যাচ্ছে একটি বইয়ের জন‍্য কতটা পরিশ্রম করে থাকেন স্নেহাশিস। আরও পাঁচটি বইও একই ভাবে লেখা।বিভিন্ন ভাষার গানের যাবতীয় ডিটেল্স রয়েছে তাতে।মোট ১৫ টি ভলিউম প্রকাশ করতে চান স্নেহাশিস।

শেষ যে রেকর্ডটি প্রকাশ হয়েছিল সেটি হল বীর-জারা। সুদুর লন্ডনে এটি প্রকাশিত হলেও তার কপি এসে পৌঁছয় স্নেহাশিসের কাছে। কীভাবে? আসলে লতাজিও ব‍্যক্তিগতভাবে তো চিনে গিয়েছেন তাঁকে। সব বই ও পৌছে যায় তার কাছে।এই সুবাদে লতাজির বাসভবনেও যাওয়ার সৌভাগ‍্য হয় স্নেহাশিসের।

এই বিশাল কালেকশনের মধ‍্যে সব থেকে মূল‍্যবান কোন রেকর্ডটি? উত্তর এলো ,১৯৬২ সালে প্রকাশিত আ‍্যয় মেরে বতন কে লোগো। কারণ শহিদদের উদ্দেশ‍্যে গাওয়া এই গানটি আজও রয়্যালটি পায় এবং সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয় শহিদদের পরিবারের হাতে।

First published: 12:37:24 PM Dec 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर