Home /News /entertainment /
Jacqueline-Sukesh: তিহাড় জেলে অফিস বানিয়ে সেখানে বসে জ্যাকলিনকে ভিডিও কল করেন প্রতারক সুকেশ

Jacqueline-Sukesh: তিহাড় জেলে অফিস বানিয়ে সেখানে বসে জ্যাকলিনকে ভিডিও কল করেন প্রতারক সুকেশ

Jacqueline-Sukesh: রিপোর্ট অনুযায়ী, জ্যাকলিন তদন্তকারীদের জানান, এক বার সংবাদমাধ্যমে সুকেশ সম্পর্কে পড়েছিলেন এবং তাঁকে সে সব নিয়ে জিজ্ঞাসাও করেন। সুকেশ তার উত্তরে নায়িকাকে বলেছিলেন, তঁকে 'মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে'।

  • Share this:

    #মুম্বই: জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ-সুকেশ চন্দ্রশেখর। ২০০ কোটি টাকা প্রতারণার মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই এই দুই নাম মাঝে মধ্যেই খবরের শিরোনাম দখল করে।

    এখন জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালে তিহাড় জেলে বন্দি থাকাকালীন সুকেশ প্রথম বার যোগাযোগ করেন জ্যাকলিনকে। তার পর থেকেই নিয়মিত কথা হত তাঁদের। মাঝে সূত্র ছিলেন নায়িকার হেয়ারড্রেসার। ভিডিও কলেও কথা হত তাঁদের।

    কিন্তু ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট)-র জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে নায়িকা সোজাসাপটা জানিয়ে দেন, সুকেশ যে আসলে প্রতারক, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। প্রথম দিকে তাঁর মেসেজের উত্তর দিতেন না। তার পরে জ্যাকলিনের হেয়ারড্রেসারের সাহায্যে বলি নায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ করেন সুকেশ।

    আরও পড়ুন: ৯ লাখের বিড়াল, ৫২ লাখের ঘোড়া! জ্যাকলিনকে কী কী 'উপহার' দিয়েছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর?

    ইডি সূত্রে খবর, নিজের পরিচয় দেওয়ার সময়ে সুকেশ জ্যাকলিনকে বলেছিলেন, তিনি একটি টিভি নেটওয়ার্ক এবং একটি গয়নার ব্র্যান্ডের মালিক। আরও বলেছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের 'ঘনিষ্ঠ' তিনি।

    জ্যাকলিন তদন্তকারীদের জানান, তিনি নিজেও অবাক হতেন বারবার তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা উঠলেই সুকেশ এড়িয়ে যেতেন। জ্যাকলিনের দাবি, প্যারোলে জেল থেকে বের হয়ে দু'বার দেখা করেছিলেন। এক বার চেন্নাইয়ে। যখনই অভিনেত্রী দেখা করার কথা বলতেন, সুকেশ কোভিড বিধিনিষেধের কারণ দেখিয়ে এড়িয়ে যেতেন। চন্দ্রশেখর অবশ্য ফার্নান্ডেজের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতেন। সুকেশ তিহাড় জেলের ভিতর নিজের অফিস তৈরি করেছিলেন। সেখানেই বসেই কথা বলতেন নায়িকার সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: জ্যাকলিনকে দেশ ছাড়ার অনুমতি আদালতের, কিন্তু চাপানো হল একাধিক শর্ত

    রিপোর্ট অনুযায়ী, জ্যাকলিন তদন্তকারীদের জানান, এক বার সংবাদমাধ্যমে সুকেশ সম্পর্কে পড়েছিলেন এবং তাঁকে সে সব নিয়ে জিজ্ঞাসাও করেন। সুকেশ তার উত্তরে নায়িকাকে বলেছিলেন, তঁকে 'মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে'। জ্যাকলিনকে বলা হয়েছিল যে, 'বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এ সব ঘটেই থাকে'।

    এর আগে, সুকেশের আইনজীবী মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন, জ্যাকলিন আর সুকেশ প্রেম করেন। যদিও, নায়িকার মুখপাত্র এ কথা অস্বীকার করেন প্রথমে। তিনি বেশ কয়েক বার ইডি-র দফতরে হাজির হয়েছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। গত বছর ডিসেম্বরে জ্যাকলিনকে মুম্বই বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়। তিনি ওমানে যাচ্ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে হাজিরা দিতে। তখনই তাঁর নামে ইডি একটি লুকআউট সার্কুলার জারি করে।

    Published by:Teesta Barman
    First published:

    Tags: Jacqueline Fernandez, Sukesh Chandrashekhar

    পরবর্তী খবর