• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • মরা সাপ নিয়ে স্কুলে ঘুরেছিলেন, মিথ্যে বলে বেতের বাড়িও খেয়েছেন অমিতাভ বচ্চন

মরা সাপ নিয়ে স্কুলে ঘুরেছিলেন, মিথ্যে বলে বেতের বাড়িও খেয়েছেন অমিতাভ বচ্চন

চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে বিগবি-র!

চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে বিগবি-র!

ছাত্রজীবনে, বিশেষ করে স্কুলে পড়াকালীন খুবই দুষ্টু ছিলেন বিগ বি, আর এ'জন্য একাধিকবার শিক্ষকদের হাতে মারও খেতে হয়েছে তাঁকে। বাদ পড়েনি বেতের বাড়িও!

  • Share this:

#মুম্বই: আজ তাঁর ব্যারিটোন গলার স্বরে মজে গোটা দেশ, ধীরস্থির অভিনয়ের দিওয়ানা দর্শকমহল। কিন্তু ছোটবেলায় একেবারেই এ'রকম ধীরস্থির, শান্ত প্রকৃতির ছিলেন না অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। নিজের ছাত্রজীবনের কথা শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জানান, ছাত্রজীবনে, বিশেষ করে স্কুলে পড়াকালীন খুবই দুষ্টু ছিলেন। আর এ' জন্য একাধিকবার শিক্ষকদের হাতে মারও খেতে হয়েছে তাঁকে। বাদ পড়েনি বেতের বাড়িও!

কওন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ১২ (Kaun Banega Crorepati 12)-এ এক প্রতিযোগীর সঙ্গে কথা কথা বলতে বলতে নিজের স্কুলজীবনের এক সিক্রেট শেয়ার করেন বিগ বি। জানান, একবার সাপ মারার দোষে খুব মার খেয়েছিলেন তিনি। তবে, সাপটা তিনি নিজে মারেননি, সে কথাও বলতে ভোলেননি।

তিনি জানান, ছোটবেলায় একবার একটি সাপ তাঁকে আক্রমণ করে, তাঁকে বাঁচাতে সাপটিকে মারে স্কুলেরই একজন। তিনি ছোট ছিলেন। ফলে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা মনে করেছিলেন সাপ মারা বুঝি খুব কঠিন ব্যাপার। তাই সাপ মেরেছে বললে স্কুলে সবাই বাহবা দেবে মনে করে একটি হকি স্টিকে করে মৃত সাপটিকে নিয়ে স্কুলে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন । সকলকে বলে বেড়িয়েছিলেন,তাঁরাই ওই সাপ মেরেছেন! ব্যস, কথা গিয়ে পৌঁছয় প্রিন্সিপালের কানে!

তিনি যে স্কুলে পড়তেন, তার প্রিন্সিপাল ছিলেন একজন ব্রিটিশ। তাঁর নিয়ম ছিল- কেউ যেন মিথ্যে কথা না বলে। তাঁর প্রথম অপছন্দের বিষয়ই ছিল মিথ্যে কথা বলা। ফলে, তিনি অমিতাভ বচ্চনকে জিজ্ঞাসা করেন, আদৌ তাঁরা সত্যি বলছেন কি না। প্রিন্সিপালের প্রশ্নের মুখে সত্যি কথা স্বীকার করে নেন তাঁরা। তারপরই শুরু হয় মার!

বিগ বি জানান, সকলের সঙ্গে তাঁকেও মার খেতে হয়। স্কুলের গ্যারেজে রাখা থাকত তেল মাখানো লাঠি বা বেত। সেটাই তাঁদের পিঠে পড়ে। এবং হাস্যকর বিষয় হল, মার খাওয়ার পর প্রিন্সিপালকে ধন্যবাদ জানাতে হত তাঁদের। সে কথা বলতে বলতে হেসে ফেলেন কিংবদন্তী।

এই প্রথম নয়, এর আগেও তিনি নিজের স্কুলজীবনের নানা গোপন গল্প শেয়ার করেছেন প্রতিযোগীদের সঙ্গে। গত সপ্তাহে এক এপিসোডে তিনি জানিয়েছিলেন, কখনওই অঙ্ক করতে ভালোবাসতেন না। কিন্তু স্কুলে অঙ্ক করতেই হত। আজ যদি তাঁকে কোনও অঙ্ক কষতে দেওয়া হয়, হতেই পারে যে তার উত্তর তিনি পারবেন না!

প্রসঙ্গত, অমিতাভ পড়াশোনা করেছেন নৈনিতালের শেরউড কলেজ থেকে। পরে তিনি উচ্চশিক্ষা শেষ করেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিরোরি মাই কলেজ থেকে।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: