• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • দুধের শিশুদের খিদে মেটাতে ৪২ লিটার স্তনদুগ্ধ দান করলেন বিখ্যাত বলিউড প্রযোজক

দুধের শিশুদের খিদে মেটাতে ৪২ লিটার স্তনদুগ্ধ দান করলেন বিখ্যাত বলিউড প্রযোজক

ফেব্রুয়ারি মাসে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন নিধি । সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর প্রচুর পরিমাণে স্তনদুগ্ধ উৎপন্ন হচ্ছিল । ছেলের পেট ভরার পরেও বেঁচে যাচ্ছিল অনেকটা ।

ফেব্রুয়ারি মাসে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন নিধি । সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর প্রচুর পরিমাণে স্তনদুগ্ধ উৎপন্ন হচ্ছিল । ছেলের পেট ভরার পরেও বেঁচে যাচ্ছিল অনেকটা ।

ফেব্রুয়ারি মাসে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন নিধি । সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর প্রচুর পরিমাণে স্তনদুগ্ধ উৎপন্ন হচ্ছিল । ছেলের পেট ভরার পরেও বেঁচে যাচ্ছিল অনেকটা ।

  • Share this:

    #মুম্বই: ছোট্ট একটা শব্দ ‘মা’ । কিন্তু খুদে এই শব্দের মধ্যেই মিশে থাকে অপরিসীম গভীরতা, ভালবাসা আর স্বার্থত্যাগের মহৎ কাহিনীগুলো । একজন মা-ই জানেন কত কষ্টে, কত আগলে বড় করতে হয় একটি সন্তানকে । তাই এক মা-ই বুঝতে পারেন আর এক মায়ের কষ্ট ।

    এমনই ঘটনা ঘটেছে বিখ্যাত বলিউড প্রযোজক নিধি পারমার হিরনন্দানির ক্ষেত্রে । তাপসী পান্নু, ভূমি পেডনেকরের ‘সান্ড কি আঁখ’ ছবির প্রযোজনা করেছেন নিধি । ওই ছবিরই পরিচালক তুষার হিরনন্দানির স্ত্রী তিনি । করোনা কালে ক্ষুধার্থ শিশুদের পেট ভরাতে এখনও পর্যন্ত ৪২ লিটার বুকের দুধ দান করেছেন নিধি ।

    এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন নিধি । এক সাক্ষাৎকারে নিধি জানান, সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর প্রচুর পরিমাণে স্তনদুগ্ধ উৎপন্ন হতে থাকে । প্রথম প্রথম বাড়ির ফ্রিজেই সংরক্ষণ করে রাখতে শুরু করেন তিনি । কিন্তু তাঁর ছেলের পেট ভরার পরেও অনেকটা দুধ বাড়তি হচ্ছিল । সে সময় তিনি ভাবতে থাকেন কী ভাবে ওই দুধ কাজে লাগানো যায় । অনেকের কাছ থেকে এ সম্বন্ধে পরামর্শ চান তিনি । কিন্তু লোকে ব্যঙ্গ করে ঘর মোছার বা ফেসপ্যাক তৈরি করার উপদেশ দেয় ।

    এরপরেই ইন্টারনেটে এ সম্বন্ধে পড়াশোনা শুরু করেন নিধি । নিজের গাইনোকোলজিস্টের সঙ্গেও পরামর্শ করেন । তখনই জানতে পারেন, অতিরিক্ত স্তনদুগ্ধ মিল্ক ব্যাঙ্কে দান করা যায় । যাতে অনেক শিশু উপকৃত হয় । এরপরেই মুম্বইয়ের খার এলাকার সূর্য হাসপাতালের মিল্ক ব্যাঙ্কে তা দান করা শুরু করেন নিধি । কিন্তু এর কিছুদিনের মধ্যেই লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ায় ছোট সন্তানকে রেখে, করোনা পরিস্থিতিতে বাইরে যাওয়া সম্ভবপর ছিল না নিধির কাছে । কিন্তু এ সমস্যারও সমাধান হয়ে যায় । হাসপাতালের তরফে বাড়িতে এসে দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয় ।

    এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে নিধি এখন খুব খুশি । যতদিন সম্ভব এই কাজ তিনি করে যেতে চান । আরও মায়েরাও যেন এই প্রজেক্টের অংশ হতে এগিয়ে আসেন, তার আবেদন জানিয়েছেন নিধি ।

    Published by:Simli Raha
    First published: