corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘বিয়ে না করে সন্তানের জন্ম দিয়ে ঠিক করিনি’ অতীতের সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস নীনার

‘বিয়ে না করে সন্তানের জন্ম দিয়ে ঠিক করিনি’ অতীতের সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস নীনার

নীনার দাবি, সিঙ্গল মাদার ও তাঁর সন্তানকে সমাজ কখনই ভাল চোখে দেখে না ৷ ফলে সারাজীবন তাঁদের অনেক কঠিন পরিস্থির সম্মুখীন হতে হয় ৷

  • Share this:

#মুম্বই: নীনা গুপ্ত ৷ বরাবরই ছক ভাঙা ৷ বরাবরই সাহসিনী, স্পষ্টবাদী, আপোস না করা দৃঢ়চেতা অভিনেত্রী ৷ যে সময় তিনি সিঙ্গল মাদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সে সময় তাঁর সেই সিদ্ধান্ত সমাজের বুকে কঠিন আঘাতের মতোই ছিল ৷ কিন্তু দমে যাননি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা অভিনেত্রী নীনা গুপ্ত ৷ তরুণী বয়সে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন নীনা ৷ কখনও সেই সমস্ত সম্পর্কের খথা গোপন করেননি ৷ তারমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডের সঙ্গে নীনার সম্পর্ক ৷ আশির দশকে তাঁদের সেই সম্পর্ক নিয়ে চর্চা কম হয়নি ৷ ১৯৮৯ সালে ভিভের মেয়ে মাসাবার জন্ম দেন নীনা ৷ কিন্তু ভিভ বা নীনা কেউই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাননি ৷ ফলে সিঙ্গল মাদার হিসাবেই মাসাবাকে বড় করে তুলেছেন নীনা ৷ তবে এত বছর পেরিয়ে এসে অতীতে নিজের সেই সিদ্ধান্তের জন্য আফসোসের সুর অভিনেত্রীর গলায় ৷ সম্প্রতি ‘মুম্বই মিরর’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নীনা বলেন, যদি কোনওভাবে সেই সময়ে ফিরে যেতে পারতেন তাহলে বিয়ে না করে সন্তানের জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত কখনই নিতেন না ৷ তার কারণ হল, একটি শিশুর জন্য বাবা-মা দু’জনের স্নেহই খুব গুরুত্বপূর্ণ ৷ মাসাবা সে সমস্ত আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে ৷ নীনা বলেন, ‘‘মাসাবাকে আমি একা বড় করেছি, ওর সঙ্গে আমার ও ভিভ—দু’জনের সম্পর্কই ভাল। কিন্তু জানি ওর শৈশব সুখের হয়নি।’’

View this post on Instagram

Sweet but could bite.

A post shared by Mufasa (@masabagupta) on

শুধু তাই নয়, নীনার দাবি, সিঙ্গল মাদার ও তাঁর সন্তানকে সমাজ কখনই ভাল চোখে দেখে না ৷ ফলে সারাজীবন তাঁদের অনেক কঠিন পরিস্থির সম্মুখীন হতে হয় ৷ জীবনের বেশিরভাগ সময়টাই একা কাটিয়েছেন নীনা ৷ তবে মাসাবা বড় হয়ে যাওয়ার পর একাকীত্বে ভুগতেন তিনি ৷ অবশেষে ২০০৮ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন ‘বাধাই হো’-র অভিনেত্রী ৷ দিল্লির চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বিবেক মিশ্রকে বিয়ে করেন তিনি ৷ বর্তমানে সুখেই ঘরকন্না করছেন তিনি ৷    
Published by: Simli Raha
First published: January 15, 2020, 1:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर