সারা মুখে কালসিটে, ঠোঁটের কোণে জমাট রক্ত! গর্ভাবস্থায় নিজের এ কী হাল করেছেন দিয়া মির্জা!

দিয়ার নতুন ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দেখে উদ্বিগ্ন ভক্তরা । ছবি- ইনস্টাগ্রাম ।

খুব স্বাভাবিক ভাবেই সবাই জানতে চেয়েছেন যে দিয়া কী ভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন!

  • Share this:

    #মুম্বই: ছবিতে যে নিসর্গ দেখা যাচ্ছে, তা যেমন সুন্দর, তেমনই আবার ভয়ঙ্করও বটে! নেপথ্যে প্রবাহিত হয়ে চলেছে খরস্রোতা পাহাড়ি নদী, তট পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে অজস্র পাথরে। প্রেক্ষাপটে উঁকি দিয়ে গিয়েছে কাশ্মীরের পার্বত্য অঞ্চল। এরকম এক পরিবেশে যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রবল, ঠিক যেমনটা দেখা যাচ্ছে দিয়া মির্জার (Dia Mirza) চেহারাতেও- সারা মুখ তাঁর ভরে গিয়েছে কালসিটেতে, ঠোঁটের কোণে জমাট বেঁধে গিয়েছে কালচে চাপ-চাপ রক্ত! যে কারও পক্ষে তো বটেই, বিশেষ করে নায়িকার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও উদ্বেগের- বৈভব রেখির (Vaibhav Rekhi) সঙ্গে বিয়ের পর আপাতত যে সন্তানসম্ভবা তিনি!

    ফলে, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করা এই ছবি নিয়ে যে কমেন্টের ঝড় বয়ে যাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। খুব স্বাভাবিক ভাবেই সবাই জানতে চেয়েছেন যে দিয়া কী ভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন! তবে এই প্রসঙ্গে নায়িকার পুরো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন, বিশেষ করে সঙ্গের লেখায়। ছবিতে সারা মুখ জুড়ে কালসিটে এবং ঠোঁটের কোণে রক্ত দেখা গেলেও দিয়ার মুখে দেখা যাচ্ছে এক অনির্বচনীয় প্রশান্তি, এত আঘাত পেলে কি মানুষ শান্ত থাকতে পারে? আবার ছবিতে নায়িকার দুই কানে হেডফোন গোঁজা রয়েছে দেখা যাচ্ছে, এই ব্যাপারটাও বিস্ময়ের উদ্রেক করে- আঘাতের যন্ত্রণার মাঝে গান বা মিউজিক শোনা কি আদপে সম্ভব?

    দিয়া কিন্তু ভক্তদের বিভ্রান্ত করতে চাননি! তিনি পোস্টে সাফ লিখেই দিয়েছেন যে এটি ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া কাফির ছবির দৃশ্য। এই পোস্ট আদতে নায়িকা করেছেন সাম্প্রতিক বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষ্যে। তিনি লিখেছেন যে যোগ হল একটি অনির্বচনীয় শক্তি, এটি মানুষের জীবন পরিবর্তন করার ক্ষমতা ধরে। তিনি যেখানেই থাকুন না কেন, বাড়ি বা কর্মক্ষেত্র, যোগাভ্যাস তিনি কখনও ত্যাগ করেন না! সঙ্গে তিনি উল্লেখ করে দিতে ভোলেননি যে এগুলো আসল ক্ষত নয়!

    তবে অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার আবার মন্তব্য করতে ছাড়ছেন না যে এই নকল ক্ষতের কথাটা দিয়ার লেখার একেবারে শুরুতেই উল্লেখ করে দেওয়া উচিত ছিল; তাহলেই আর এত গোলযোগের সৃষ্টি হত না!

    Published by:Simli Raha
    First published: