• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • দাঙ্গার সময় ঘরছাড়া হয়েছিল পরিবার, অজানা জীবনের কথা জানালেন অঙ্গদ বেদী

দাঙ্গার সময় ঘরছাড়া হয়েছিল পরিবার, অজানা জীবনের কথা জানালেন অঙ্গদ বেদী

 OTT প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তিনি। শানিত স্থিতধী টিম ক্যাপ্টেন অরবিন্দ বশিষ্ঠ হোক কিংবা একরোখা, রাগী ভাস্কর শেট্টি! অঙ্গদ বেদীর সময় এসে গেছে।

OTT প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তিনি। শানিত স্থিতধী টিম ক্যাপ্টেন অরবিন্দ বশিষ্ঠ হোক কিংবা একরোখা, রাগী ভাস্কর শেট্টি! অঙ্গদ বেদীর সময় এসে গেছে।

OTT প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তিনি। শানিত স্থিতধী টিম ক্যাপ্টেন অরবিন্দ বশিষ্ঠ হোক কিংবা একরোখা, রাগী ভাস্কর শেট্টি! অঙ্গদ বেদীর সময় এসে গেছে।

  • Share this:

    #মুম্বই: OTT প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তিনি। শানিত স্থিতধী টিম ক্যাপ্টেন অরবিন্দ বশিষ্ঠ হোক কিংবা একরোখা, রাগী ভাস্কর শেট্টি! অঙ্গদ বেদীর সময় এসে গেছে। 2004 সালে ডেবিউ করার পর দীর্ঘ লড়াইয়ে সামিল বিষাণ সিং বেতার ছেলে অঙ্গদ। অভিনয়ের জাত চেনাতে অনেকটা সময় লেগেছে ঠিকই, কিন্তু সে ব্যাপারে অঙ্গদ মিস্টার কুল, বরফের মতো ঠান্ডা ৷

    ইন্টারভিউ দিতে বসলেন বিকেলের পড়ন্ত রোদে। নিজের বাড়ির বারান্দায়।  ছোট্ট মেহর মাঝে মাঝে বাবার কাছে এসে টুকটাক পরখ করে যাচ্ছে, বাবার কতটা দেরি হতে পারে।

    "বাবা হওয়ার পর জীবনটা পুরো বদলে যায়। সবকিছু আমরা মেয়ের সুবিধা অসুবিধা দেখে ঠিক করি। নেহা (ধুপিয়া) আমার রানি। মেহর আমার রাজকন্যে, " গম্ভীর মুখে হাসি ফুটল।

    মুম-ভাই এখন রাজত্ব করছে web দুনিয়ায়। ভাস্কর শেট্টির চরিত্রে কীভাবে প্রাণ দিলেন? "কিছুটা নিজের সঙ্গে কথা বলে। নিজের সঙ্গে কথোপকথন করলে অনেকটাই অভিনয় ক্ষমতা অর্জন করা যায়। আমার সব চরিত্রের মধ্যেই আমার পার্সোনাল টাচ আছে। যেটা যোগ করতেই হয়। এই ব্যাপারটা স্বতন্ত্র। যার যার নিজের। আমার অভিনয় সবার ভাল লাগলেই আমি খুশি।" বললেন তিনি।

    চুরাশির রায়টের সময়ে তাঁর বয়স ছিল মাত্র এক। কোনও স্মৃতিই নেই। কিন্তু পরিবারের কাছে শুনেছেন সেই ভয়াল ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা যা অজান্তেই দাগ কেটে গিয়েছে অন্তঃকরণে। "জানেন, যে কোনও মানুষের পারিবারিক ইতিহাস তার আচার আচরণ, জীবন সবকিছুকে প্রভাবিত করে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে চলার পথে, সেই সব দিনের শোনা ইতিহাস, আমায় রক্ষা করেছে, মানুষ চিনতে শিখিয়েছে। আমায় নিয়ে বাবা মা গাড়ির মধ্যে রাত কাটিয়েছেন, গৃহহীন হয়ে, উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেডিয়েছেন। বাবা এক নামী ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও আমাদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। সেই সময়ের কথা কিছুদিন, আগে কলাম লিখেছেন বাবা। সেই সংগ্রামের কথা শোনার পর যে কোনও স্ট্রাগলকে তুচ্ছ মনে হয়। মনের জোর বেড়ে যায়। " দৃপ্তকণ্ঠে জানালেন তিনি।

    পিঙ্ক ছবিতে চোখে পড়ার মতো অভিনয়, তবুও কি সুযোগ কম পেয়েছেন? "কম সুযোগ না বেশি তা নিয়ে মাথা ঘামাইনি। ঠিক সুযোগটা আসা দরকার। আমার ধারণা, 'ইনসাইড এজ' আমার জন্য সঠিক ছিল। আর প্রমাণ করে দেখিয়েছি বলে আপনি আমার ইন্টারভিউ নিলেন।" জানালেন তিনি। ভালবাসেন মেয়েকে নিয়ে গ্রামে বেড়াতে যেতে।  ছোটবেলা থেকে প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হলে মনটাও সুন্দর ভাবে গড়ে ওঠে। এমনটা বিশ্বাস করেন নেহা ও অঙ্গদ। "সংসার সুখের হলে অভিনয়েও তরতরিয়ে উন্নতি করা যায়। নেহার মতো নারী আমার জীবনে আছে বলেই বদলে গেছে আমার জীবনের গতি। বলতে পারেন, আমার সাফল্যের শুরু নেহাকে পাশে নিয়েই। " বললেন তিনি।

    Published by:Akash Misra
    First published: