• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • Bangla News|| ৫৫ বছরে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ চাকুরিপ্রার্থী, পেলেন নিয়োগপত্র

Bangla News|| ৫৫ বছরে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ চাকুরিপ্রার্থী, পেলেন নিয়োগপত্র

Bangla News: ৫৫ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ জন, নিয়োগপত্র পেয়ে চোখের জল এলো শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

Bangla News: ৫৫ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ জন, নিয়োগপত্র পেয়ে চোখের জল এলো শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

Bangla News: ৫৫ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ জন, নিয়োগপত্র পেয়ে চোখের জল এলো শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

  • Share this:

    #খড়গপুর: ৫৫ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষক হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ১১ জন, নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে মিষ্টি মুখ করালেন চেয়ারম্যান। চাকরি পাওয়ার কথা ১৯৯৬ সালে। সেই চাকরি পেলেন ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর। মাঝখানের ২৫ বছর? আদালত আর প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চৌকাঠে দৌড়ে দৌড়ে চটি ছিঁড়ে গেছে বলরাম বসন্ত, নিত্যানন্দ দোলই, বিমল হারা, অশোক কুমার গড়াইদের। অবশেষে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের (DPSC) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু বিষইয়ের সহৃদয়তায় তাঁরা চাকরি পেলেন কেউ বা ৫২ বছর বয়সে, কেউবা ৫০ আর কেউবা ৫৬ বছরে।

    সোমবার সন্ধ্যায় এ রকম ১১ জনের হাতেই নিয়োগপত্র তুলে দিলেন কৃষ্ণেন্দু বিষই। সঙ্গে ছিলেন বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) তরুণ সরকার। নবনিযুক্ত শিক্ষকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার সাথে সাথেই মিষ্টি মুখ করালেন কৃষ্ণেন্দু। নতুন চেয়ারম্যানের মহানুভবতায় মুগ্ধ হয়েও, দু-চোখে তাঁদের শুধুই জল। জানা গিয়েছে, ১৯৯৬ সালের প্যানেলে সংরক্ষিত (SC/ST) তালিকায় নাম ছিল অশোক কুমার বেরা, অশোক কুমার গড়াই, মেনকা মুন্ডা, বলরাম বসন্ত, নিত্যানন্দ দোলই, বিমল হারা সহ ১১ জনের। কিন্তু, তাঁদের নিয়োগ না করে, তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ জেনারেল (সাধারণ) তালিকা থেকে অতিরিক্ত ১১ জনকে নিয়োগপত্র দিয়ে দেন। ফলে, বঞ্চিত হন অশোক, নিত্যানন্দ, মেনকা, বিমল প্রমুখরা!

    কলকাতা হাইকোর্টে তাঁরা মামলা করেন। আদালতের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সেই মামলার অর্ডার বা বিচার পান ২০১৭ সালে। এরপর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের তরফে নানা অজুহাত বা আইনি জটিলতার বিষয় তুলে ধরে গড়িমসি করা হয়। ফের তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হন। সম্প্রতি, তাঁদের দ্রুত নিয়োগ করার কথা বলা হয়। না, এ বারের চেয়ারম্যান আর গড়িমসি করেননি বা কোনও অজুহাত দেননি। বরং, নিজে উদ্যোগী হয়ে, ফাইল খুঁজে বের করিয়ে জরুরি ভিত্তিতে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন। মাত্র ১৫ দিন হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া, বছর ৪২-র কৃষ্ণেন্দু বিষই সোমবার সন্ধ্যায় যখন ৫০/৫৫ বছর বয়সী অশোক কুমার গড়াই, মেনকা মুন্ডাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন, তখন তাঁর চোখেও জল! আর, কৃষ্ণেন্দু-কে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ভাসালেন অশোক বিমল, মেনকা, বলরাম, নিত্যানন্দরা। তাঁদের মুখে একটাই কথা, এ রকম চেয়ারম্যান যদি আগে পেতাম, জীবন আর পরিবারের অমূল্য ২৫ বছর নষ্ট হত না। সবকিছুই কত সুন্দর হতো।

    একধাপ এগিয়ে বছর ৫২ র অশোক কুমার গড়াই বললেন, উনি আমাদের কাছে ভগবান। কৃষ্ণেন্দু কিছু বলতে চাইলেন না। আক্ষেপের সুরে বললেন, নিজের কর্তব্য টুকুই করেছি। আরও আগে হলেই বোধহয় ভালো হতো। সবশেষে, মিষ্টি মুখ করিয়ে মধুরেণ সমাপয়েৎ করতে অবশ্য ভুললেন না কৃষ্ণেন্দু।

    Partha Mukherjee

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: