Aditi Munshi : নিজের হাতে পরিবেশন করে শিশুদের খাইয়ে নন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন অদিতি

অদিতি মুন্সী, ছবি-ফেসবুক

প্রতি বছর মহা সমারোহে জন্মাষ্টমী পালন করেন অদিতি (Aditi Munshi) ৷ পর দিন থাকে নন্দ উৎসব ৷

  • Share this:

    কলকাতা : গোকুলে কৃষ্ণ এসেছিলেন তাঁর কাছে ৷ সেই আনন্দে জন্মাষ্টমীর পরদিন নন্দ উৎসব করেছিলেন যাদবরাজ নন্দ বা নন্দগোপ ৷ বাচ্চা ছেলেমেয়েদের তাদের পছন্দমতো খাওয়াতেন তিনি ৷ হাজার হাজার বছর ধরে সেই রীতি আজও পালিত হয়ে আসছে ৷ জন্মাষ্টমীর পর দিন নন্দোৎসবে কচিকাঁচাদের পাতে পড়ে তালের বড়া, তালক্ষীর, তালের পুলি, তালের লুচির মতো লোভনীয় খাবার ৷

    বিধায়ক অদিতি মুন্সী (Aditi Munshi) অবশ্য তাঁর নন্দদের পাতে নিজের হাতে পরিবেশন করলেন খিচুড়ি, কয়েক রকম ভাজা, পায়েস-সহ নানা পদ ৷ প্রতি বছর মহা সমারোহে জন্মাষ্টমী পালন করেন অদিতি ৷ পর দিন থাকে নন্দ উৎসব ৷ তাঁর নন্দদুলালরা কেউ মাটির মূর্তি নয়, তারা সকলেই শিশু ভোলানাথ ৷ তাদের সামনে থালায় নিজের হাতে অন্ন পরিবেশনেই নন্দ উৎসবের সার্থকতা খুঁজে পান বিধায়ক শিল্পী ৷

    নন্দদের হাসিমুখ দেখতে অদিতি মঙ্গলবার পৌঁছে গিয়েছিলেন এক বিশেষ ঠিকানায় ৷ সেখানে একসঙ্গে বড় হচ্ছে অনেক কচিকাঁচা ৷ পিছিয়ে পড়া পরিবারের এই মুখগুলোর সামনে বড় হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা, চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়েছিল সার বেঁধে ৷ তাদের পাশে দাঁড়িয়ে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে এক বিশেষ সংস্থা ৷ তাদের অন্যতম উদ্যোগী অদিতি ৷

    তিনি এতদিন ছিলেন ব্যস্ত শিল্পী ৷ এ বছর তার সঙ্গে যোগ হয়েছে জনপ্রতিনিধির ব্যস্ততা ৷ তার মাঝেই রীতি মেনে পালন করলেন জন্মাষ্টমী ৷

    ইনস্টাগ্রামে অদিতি শেয়ার করেছেন তাঁর বাড়িতে সাতজন গোপালমূর্তিকে দুধ ও গঙ্গাজলে স্নান করানোর রিল ভিডিয়ো ৷ তার পর যত্ন করে তাঁর সাত গোপালকে পরিয়ে দিয়েছেন নতুন পোশাক ৷ প্রতি বছরের মতো এ বারও তাঁর বাড়িতে জন্মাষ্টমী তিথিতে রান্না করা হয়েছে হরেক রকম ভোগ ৷ সেখানে সনাতনী ভোগপ্রসাদের মাঝে সাজিয়ে দেওয়া হয় চকোলেটও ৷

    বিভিন্ন ধরনের গানে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করে নিলেও অদিতি মূলত কীর্তনশিল্পী ৷ তাঁর উচ্চশিক্ষাও কীর্তন নিয়েই ৷ আশৈশব বাড়িতে কীর্তন শুনেই তাঁর সঙ্গীতের এই ধারার প্রতি আকর্ষণ জন্মায় ৷ কীর্তনের সুরে শ্রোতাদের মন আবিষ্ট করা অদিতি নিজেও বিভোর কৃষ্ণপ্রেমে ৷ যে প্রেমের মূলমন্ত্র শিবজ্ঞানে জীবসেবা ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: