advertisement

মাইক্রো অবজার্ভারদের গাফিলতিতে কড়া পদক্ষেপ ! প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের, জানাল কমিশন

Last Updated:

কমিশন জানিয়েছে, কোনও মাইক্রো অবজার্ভার যদি কোনও গাফিলতি, বা যদি কোনও কাজে ফাঁকি দেয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ হবে। যে তিন জন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

মাইক্রো অবজার্ভারদের গাফিলতিতে কড়া পদক্ষেপ !
মাইক্রো অবজার্ভারদের গাফিলতিতে কড়া পদক্ষেপ !
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়ার সময়সীমার মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি শেষ হবে ? সংশয়ে খোদ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। এখনও পর্যন্ত শুনানিতে আসা ৫ লক্ষ ভোটারের নথি জেলাশাসকরা চূড়ান্ত যাচাই করেননি। শুনানিতে আসা ২৫ লক্ষ ভোটারের নথি জেলাশাসকরা যাচাই করে দিলেও সেটা ইআরও, এইআরও-র কাছে পড়ে রয়েছে বিবেচনার জন্য। অন্যদিকে যাদের শুনানি হয়ে প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার মধ্যে থেকে আবার পুনরায় যাচাই করার জন্য ৩০ লক্ষ ভোটারের নথি পাঠানো হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নথি অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও বাকি।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনও মাইক্রো অবজার্ভার যদি কোনও গাফিলতি, বা যদি কোনও ফাঁকি দেয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ হবে। যে তিন জন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। যাদের আবার পুনরায় যাচাই করার কথা বলা হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বিএলও-দের কাছে ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও তিনি আপলোড করেনি। বিএলও, ইআরও, এইআরও-দের জন্য সাধারণ ভোটারদের হেনস্থার শিকার হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সময়সীমা বাড়াতে হতে পারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের ৷ এসআইআর প্রক্রিয়ায় ৪৪০,৯৭০ অবৈধ ভোটারের হদিস এখনও পর্যন্ত। তবে এই সংখ্যা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে ৷
advertisement
advertisement
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রক্রিয়া কীভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে সংশয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর। প্রসঙ্গত কমিশনের টাইমলাইন অনুযায়ী, ২১ তারিখের মধ্যে সব অভিযোগে নিষ্পত্তি করতে হবে এবং তারপর ২৮ তারিখ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
advertisement
তাহলে কি আবার সময় সীমা বাড়াতে হবে?
আপাতত জেলাশাসকদের কাজে গতি আনার নির্দেশ ফের রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের। ভোটারের নথি নিয়ে মাইক্রো অবজারভার ও রোল অবজারভারদের পর্যবেক্ষণ নিয়ে একমত না হলে ইআরও, এইআরও-রা সর্বাধিক ৫০০ শব্দে লিখতে পারবেন। (A=১ টি শব্দ এই আকারে ৫০০ শব্দ)। মাইক্রো অবজার্ভার এবং রোল অবজার্ভারদের সঙ্গে কোন জায়গায় একমত হতে পারছেন না ভোটারের নথি নিয়ে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে সেই ব্যবস্থা চালু করা হল। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ইআরও, এইআরও-রা ভোটারের নথি যাচাই করে চূড়ান্ত করার পর পাঠিয়ে দিলে মাইক্রো অবজার্ভার, রোল অবজার্ভাররা তাতে একমত হতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে সেই নথি ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই নথি ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার পর মাইক্রো অবজার্ভার ও রোল অবজার্ভারদের সঙ্গে কেন একমত নয় রাজ্যের ইআরও, এইআরও-রা? সেটা সর্বাধিক ৫০০ শব্দের মধ্যে তারা লিখতে পারবেন ড্যাশবোর্ডে। অভিযোগ নিস্পত্তি দ্রুত করতেই এমন ব্যবস্থা চালু জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বলে কমিশন সূত্রে খবর।
advertisement
সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, যদি অভিযোগ নিস্পত্তি শেষ না হয়, যদি কাজ না শেষ হয়, আগে তো আআরও, এইআরও, জেলাশাসকরা বলুক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সময়সীমা বাড়ানো হবে ৷’’
view comments
বাংলা খবর/ খবর/নির্বাচন/
মাইক্রো অবজার্ভারদের গাফিলতিতে কড়া পদক্ষেপ ! প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের, জানাল কমিশন
Next Article
advertisement
Kolkata Police: সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখবেন আর কী লিখবেন না কলকাতা পুলিশ কর্মীরা? এল বড় নির্দেশিকা
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখবেন আর কী লিখবেন না কলকাতা পুলিশ কর্মীরা? এল বড় নির্দেশিকা
  • কলকাতা পুলিশ কমিশনারের তরফে জারি করা নির্দেশিকা

  • অমান্য করলে বিভাগীয় পদক্ষেপ বা শাস্তিমূলক ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

  • সংবেদনশীল/ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা যাবে না

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement