• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • AFTER PMO INTERVENTION JUDGE ARRESTED FOR MURDERING WIFE AS SHE FAILED TO BEAR MALE CHILD

পুত্র সন্তান জন্ম দিতে পারেননি, তাই স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করলেন বিচারক স্বামী

স্ত্রী পুত্র সন্তান জন্ম দিতে পারেননি ৷ তাই নিজের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে কুন করার অভিযোগ উঠল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ৷

স্ত্রী পুত্র সন্তান জন্ম দিতে পারেননি ৷ তাই নিজের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে কুন করার অভিযোগ উঠল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #গুরগাঁও: স্ত্রী পুত্র সন্তান জন্ম দিতে পারেননি ৷ তাই নিজের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে কুন করার অভিযোগ উঠল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ৷ ২০১৩ সালে ঘটনাটি ঘটে ৷

    জানা গিয়েছে, গুরগাঁওযের একটি পার্ক থেকে বছর তিনেক আগে ২৭ বছরের গীতাঞ্জলি গর্গের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় ৷ গীতাঞ্জলির পরিবারের সদস্যরা তার স্বামী রভনীত গর্গের বিরুদ্ধে পণ চাওয়ার ও তা না পাওয়ায় খুন করার মামলা দায়ের করে থানায় ৷ গীতাঞ্জলি ও রভনীতের ৪ বছর ও পাঁচ বছরের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে ৷

    একজন বিচারকের এমন আচারণে বিচারব্যবস্থার উপরে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের ৷ সুবিচারের আশায় অসংখ্য মানুষ আদালতের দ্বারস্থ হন ৷ সেই আদালতের একজন বিচারক যখন পুত্র সন্তানের জন্য স্ত্রীকে খুন করতে পারেন ৷ তাহলে তাদের উপর আস্থা রাখা কী সত্যি সম্ভব ?

    পুলিশ সূত্রে খবর, গীতাঞ্জলির মৃতদেহের পাশ থেকে একটি রিভলভার পাওয়া যায় ৷ ওই বিভলভারটি রভনীতের নামে রেজিস্ট্রার করা রয়েছে ৷ মেয়ের খুনের বিচার চেয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিংহ হুডার সাহায্য চান গীতাঞ্জলির পরিবার ৷

    এরপর রভনীতের লাই ডিটেক্টর ও ব্রেন ম্যাপিং টেস্ট করানো হয় ৷ কিন্তু তাতে কিছু পাওয়া যায়নি ৷ এরপর CBI জানায়, যদি এই খুনের বিষয়ে কেউ কোনও তথ্য দিতে পারে তাহলে তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে ৷

    কিন্তু কোনও সুবিচার না পেয়ে অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দ্বারস্থ হন। তারপরই তদন্ত শুরু হয় সঠিক পথে বলে জানিয়েছে গীতাঞ্জলির পরিজনবর্গ ৷ এরপর গ্রেফতার করা হয় রভনীতকে ৷ তাঁকে ৫দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। গীতাঞ্জলির বাবার বিশ্বাস তাদের মৃত মেয়ে বিচার পাব ৷ এবং ভবিষ্যতে যাতে কোনও মেয়ে যাতে েমন ঘটনার স্বীকার না হয় তারও প্রার্থনা করেছেন তিনি ৷

    First published: