গ্রাম বাঁচাতে উদ্যোগী বাসিন্দারাই, পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন নিজেরাই

পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার৷

মুর্শিদাবাদের প্রত্যন্ত ব্লক জলঙ্গিতে প্রচুর পরিযায়ী শ্রমিক নিজ গ্রামে ফিরে এসেছেন। করোনা আতঙ্কের জেরে সেই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

  • Share this:
কোনও সরকারি ব্যবস্থা নয়, রাজনৈতিক দল থেকেও নয়,  গ্রামকে সুস্থ রাখতে পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবারের ব্যবস্থা করলেন গ্রামের যুবকরাই। গ্রামে চাঁদা তুলে পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবারের ব্যবস্থা করলেন মুর্শিদাবাদের পোল্লাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। মুর্শিদাবাদের প্রত্যন্ত ব্লক জলঙ্গিতে প্রচুর পরিযায়ী শ্রমিক নিজ গ্রামে ফিরে এসেছেন। করোনা আতঙ্কের জেরে সেই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ পাশাপাশি সময়মতো তাঁদের খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে গ্রাম থেকে। প্রায় চল্লিশ জন শ্রমিক এই কোয়ারান্টাইন সেন্টারে থাকছেন৷ গ্রামবাসীরাই সম্পূর্ণভাবে তাঁদের দেখভাল করছেন। পরিযায়ী শ্রমিক মিলন শেখ বলেন, 'আমরা মহারাষ্ট্রে কাজ করতাম। খুব কষ্ট করে বাড়ি ফিরেছি। গ্রামের লোকেরা এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। সেখানেই থাকছি।' গ্রামবাসী জাহাঙ্গীর আলি বলেন, 'মানুষকে সুস্থ রাখার জন্য আমরা গ্রাম থেকে এই ব্যবস্থা করেছি। চাঁদা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা। পরিযায়ী শ্রমিকদের  খাবারের ব্যবস্থা করছি আমরা।' মান্নান মণ্ডল নামে এক গ্রামবাসী বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরাও আমাদের পরিবারের একজন। তাঁদের দেখভালের দায়িত্ব সেই কারণেই আমরা নিয়েছি। Pranab Kumar Banerjee
Published by:Debamoy Ghosh
First published: