Covid -19 : স্বাস্থবিধি শিকেয়, মথুরার মন্দিরে ‘‌লাড্ডু মার’‌ হোলিতে জনস্রোত!

Covid -19 : স্বাস্থবিধি শিকেয়, মথুরার মন্দিরে ‘‌লাড্ডু মার’‌ হোলিতে জনস্রোত!

'বুড়া না মানো কোভিড হ্যায়' photo-ANI

এই ‘‌লাড্ডু মার'‌ হোলির একদিন আগেই উত্তরপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘‌লাথ মার'‌ হোলি। সেই হোলিতে আবার খেলা চলেছে মহিলা ও পুরুষদের মধ্যে।

  • Share this:

    #মথুরা : ক্রমশ করোনা পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে দেশে। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। কমছে সুস্থতার হার। দ্বিতীয় ঢেউ-এর আশঙ্কায় লকডাউনের পথে বেশ কয়েকটি রাজ্য। রাশ টানতে উদ্যোগী হচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অথচ এরইমধ্যে এক বিরল দৃশ্যের স্বাক্ষী হল উত্তরপ্রদেশ। যোগীর রাজ্যের মথুরাতে রাধা রাণি মন্দিরে সোমবার পালিত হল '‌লাড্ডু মার হোলি’‌ উৎসব। আর সেই উৎসব ঘিরেই জনসুনামি দেখল শহর। হাজারে হাজারে মানুষ লাড্ডু নেওয়ার জন্য ভিড় করেছেন মন্দির চত্বরে। তাঁদের ভিড়ে প্রায় কারও মুখেই চোখে পড়লো না মাস্ক। আর দূরত্ব? সেটা আবার কী?

    মথুরার বরসানার এই মন্দিরে ভক্তদের ভিড় ছিল উপচে পড়া। প্রথামাফিক লাড্ডু ছুড়ে দিচ্ছিলেন মন্দিরের কর্মীরা। আর সেই লাড্ডু নেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি বেধে যাচ্ছিলো জনগণের মধ্যে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাড্ডু ধরার জন্য সেই ভিড়ে মহিলা, পুরুষ এমনকী শিশুরাও লাফাচ্ছে। তাঁরা নিজেরাও হোলির রঙের মতোই একে-অপরের দিকে লাড্ডু ছুঁড়ছে। অথচ অটো ভিড় সত্বেও খুব কমজনের মুখেই মাস্ক রয়েছে। প্রসঙ্গত, বরসানার এই ‘‌লাড্ডু মার'‌ হোলির একদিন আগেই উত্তরপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘‌লাথ মার'‌ হোলি। সেই হোলিতে আবার খেলা চলেছে মহিলা ও পুরুষদের মধ্যে। ‘‌লাথ মার'‌ হোলি লাঠি ও রং দিয়ে পালিত হয়, যেখানে মহিলারা পুরুষদের লাঠি দিয়ে মারে এবং পুরুষরা নিজেদেরকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।

    এই দুই হোলির ছবি আর ভিডিও ভাইরাল হতেই তাজ্জব নেট নাগরিকরা।  মন্দিরে এভাবে ভিড় করে কোভিড বিধি লঙ্ঘন করা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের একাংশ।। অনেক নেটিজেনই এই ভিডিও দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

    যদিও, হোলির সময় রাজ্যজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর জন্যে আগেই নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মুখ্যমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত কোনও শোভাযাত্রা বা জমায়েত করা চলবে না। তা সত্বেও কীভাবে বিধি নিষেধকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলছে নানারকম হোলি খেলা তা বোঝা বেশ কঠিন।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর