করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে বন্ধ রোজগার, রিকশার প্যাডেলে ভর করেই ৭০০ কিলোমিটার পাড়ির সিদ্ধান্ত কিশোরের

লকডাউনে বন্ধ রোজগার, রিকশার প্যাডেলে ভর করেই ৭০০ কিলোমিটার পাড়ির সিদ্ধান্ত কিশোরের
প্রতীকী ছবি

লকডাউন ঘোষণার পর বাড়ি ফেরার উপায় ছিল না। সড়ক ও রেলপথে পরিবহণ বন্ধ। অগত্যা নিজের রিকশা নিয়েই বেনারস থেকে হাওড়ার পথে রওনা দিয়েছিলেন হাওড়ার কিশোর সাউ।

  • Share this:

#বালিঃ লকডাউনে বাড়ি ফেরার উপায় না দেখে নিজের রিকশা নিয়েই বেরিয়ে পড়েছিলেন পেশায় রিকশা চালক কিশোর সাউ। বেনারস থেকে রওনা হয়ে হাওড়াতে পৌঁছতে হবে। ৪০ দিন কেটে গেলেও কিশোর এখনও আটকে রাস্তায়। বুধবার ডুবুডি চেকপোস্টে দেখা মেলে তাঁর। রিক্সার প্যাডেলে পা দিয়েই প্রায় ৭০০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে চান ওই রিকশা চালক। বেনারস থেকে সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার পেরিয়ে ডুবুডিতে এসে আটকে পড়েছেন কিশোর। গন্তব্যে পৌঁছতে এখনও বাকি ২৫০ কিলোমিটার।

লকডাউন ঘোষণার পর বাড়ি ফেরার উপায় ছিল না। সড়ক ও রেলপথে পরিবহণ বন্ধ। অগত্যা নিজের রিকশা নিয়েই বেনারস থেকে হাওড়ার পথে রওনা দিয়েছিলেন রিক্সা চালক কিশোর সাউ। একমাস কোয়েরেন্টাইনে আটকে থাকার পর বুধবার তাঁর বাড়ি ফেরার অনুমতি মেলে। ত্রাণে পাওয়া চাল, আলু, বাসন ও বিছানা বেঁধে নিয়েই বেরিয়ে পড়েছেন কিশোর। চড়া রোদেই দ্রুত পা চালালেন। বাড়ি ফিরতে হবে যে!

লকডাউনের পর ২৮ মার্চ বেনারস থেকে নিজের রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন কিশোর। টানা ৮ দিন রিকশা চালিয়ে ৩ এপ্রিল বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে ডুবুডি চেকপোস্টে আটকে পড়েন। পুলিশ বাংলায় ঢুকতে না দিলে তিনি ঝাড়খণ্ডে ফিরে যান। মাইথন পুলিশ দেখতে পেয়ে কোয়েরেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যায় তাঁকে। সেখানেই ছিলেন। এরপর খবর পান পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিনরাজ্য থেকে ফেরাচ্ছে রাজ্য। সেই খবর পেয়ে বুধবার আবারও চেকপোস্টে আসেন তিনি। ফের পুলিশ আটকে দেয়। এবার অনুরোধ করেন তাঁকে যেতে দিতেই হবে। কোয়েরেন্টাইনে থাকার কাগজও দেখান। জেদের কাছে হার মেনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ছাড়া হয় কিশোর সাউকে।

কিশোর সাউয়ের ক্ষোভ, অতদূর থেকে এসেও বাংলায় ঢোকার মুখে একমাসের উপর আটকে থাকলাম। ওদিকে আমার পরিবার উদ্বিগ্ন।' তাঁর অভিযোগ, 'না খাবার পেয়েছি, না আশ্রয়।' তবে দেরিতে হলেও নিজের বাড়ির ফেরার অনুমতি পেয়ে রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি তিনি।

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 7, 2020, 12:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर