corona virus btn
corona virus btn
Loading

মন্ত্রী-বিধায়ক বলেই কি সব মাফ? বিয়েবাড়িতে মাস্ক নেই, মানা হল না সামাজিক দূরত্ব...

মন্ত্রী-বিধায়ক বলেই কি সব মাফ? বিয়েবাড়িতে মাস্ক নেই, মানা হল না সামাজিক দূরত্ব...
Marriage of BJP MLA son in Karnataka

তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও করোনা আবহে, খুল্লমখুল্লা ঘুরতে দেখা গিয়েছে কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে৷ করোনা রুখতে সব নিয়মকেই বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি ঘুরছেন মন্ত্রী মশাই!

  • Share this:

#বেঙ্গালুরু: বিধায়ক পিটি পরমেশ্বর নায়কের ছেলের বিয়েতে হাজির হলেন কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বি সরিরামালু৷ কিন্তু মুখে নেই মাস্ক, সামাজিক দূরত্বেরও বালাই নেই৷ দাভানগেড়ের লক্ষ্মীপুরায় বসেছিল বিধায়কের ছেলের বিয়ের আসর৷ সেখানে এসে অতিথি অভ্যাগতদের সঙ্গে সৌজন্য আদানপ্রদান করতেও দেখা যায় মন্ত্রীকে৷

তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও করোনা আবহে, খুল্লমখুল্লা ঘুরতে দেখা গিয়েছে কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে৷ করোনা রুখতে সব নিয়মকেই বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি ঘুরছেন মন্ত্রী মশাই!

২ জুন চিত্রদূর্গা জেলার একটি অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল মাস্ক ছাড়াই৷ একটি জনসমাগমে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি যেখানে সামাজিক দূরত্ব মানা হয়নি৷

সোমবারের এই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু রাজনীতিক৷ দল নির্বিশেষে আমন্ত্রিত ছিলেন অনেক নেতা৷ কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া থেকে শুরু করে প্রাক্তন মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, বিজেপি নেতা এবং রাজ্যের মন্ত্রী লক্ষ্মণ সবাদি, প্রভু চৌহ্বন৷

করোনার সময় বিয়ে বাড়িতে যখন অতিথির সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তখন কী করে এত মানুষের সমাগমের অনুমতি দিল জেলা প্রশাসন? এখন এই প্রশ্নটাই বড় হয়ে দাঁড়াচ্ছে৷ বিয়ের আসরে মোটে ৫০জনের জমায়াতের অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ সেই নিয়মও লঙ্ঘন করেছেন স্থানীয় বিধায়ক৷ যদিও এই নিয়ে কোনও অভিযোগ এখনও দায়ের হয়নি এবং পুলিশও স্বতঃপ্রণদিত মামলা করেনি৷

নিয়ম সকলের জন্য এক৷ কিন্তু গ্রামে মানুষেদের আটকানো সম্ভব নয়৷ তাঁদের বিয়েবাড়িতে চলে আসার প্রবণতা থাকে৷ আর শুভানুধ্যায়ীরা ঢুকলে, তাঁদের বাঁধাও দেওয়া যায় না৷ এভাবেই সাফাই দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া৷

উপমুখ্যমন্ত্রী যদিও বলছেন উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক কর্তৃপক্ষ, না হলে সকলের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছবে৷ আমি কোনও ভিডিও দেখিনি, জানিও না৷ কিন্তু এমন কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ৷

তবে হাদাগলির বিধায়ক এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে বলছেন যে, তার বারণ করা সত্ত্বেও প্রচুর মানুষ নবদম্পতিকে আর্শীবাদ করতে ভিড় করেছিলেন৷ তাদের আটকানো সম্ভব হয়নি৷

আমি গ্রামবাসীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে হোয়াটস অ্যাপ ভিডিও পাঠিয়েছি৷ করোনার সময় সকলকে আমন্ত্রণ করতে পারব না, এটা সবাইকে জানিয়েছিলাম৷ তবুও সকলে চলে এসেছিল৷ মাস্ক-স্যানিটাইজার সব ছিল৷ পুলিশের থেকে নোটিশ পেয়েছি, খুবই দুঃখিত৷ বলছেন বিধায়ক৷ লকডাউনের জন্য মে মাস থেকে পিছিয়ে জুনে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল৷ কোনও মন্ডপ ভাড়া না পাওয়ার কারণ গ্রামেই ছেলের বিয়ে দিতে হয়েছে বলে জানায় পরিবার৷

Published by: Pooja Basu
First published: June 15, 2020, 10:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर