corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘তুমি করোনা যোদ্ধা,তুমি আমায় গর্বিত করেছ’ কর্ণাটকে দ্বিতীয় প্লাজমাদাতা হলেন নাফিসার ভাইঝি

‘তুমি করোনা যোদ্ধা,তুমি আমায় গর্বিত করেছ’ কর্ণাটকে দ্বিতীয় প্লাজমাদাতা হলেন নাফিসার ভাইঝি
Photo Courtesy- Instagram

করোনা আক্রান্ত হওয়ার সেরে উঠেছেন, এবার দিলেন প্লাজমা যাতে বাকিরাও হয়ে উঠতে পারে সুস্থ

  • Share this:

#মুম্বই:  প্রবীন বলিউড অভিনেত্রী নাফিসা আলি যিনি নিজে একজন ক্যান্সারজয়ী তাঁর পরিবারে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস ৷ নাফিসার ভাইঝি আক্রান্ত হয়েছিলেন কোভিড ১৯ এ৷ তবে ভালো খবর তিনি করোনা যুদ্ধে জিতে ফিরে এসেছেন ৷ পাশাপাশি আরও একটা সুখবর দিয়েছেন নাফিসা আলি ৷ এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা প্লাজমা থেরাপির ওপর জোর দিচ্ছেন ৷ আর সেই প্লাজমা থেরাপির জন্য প্লাজমা দিলেন নাফিসার ভাইঝি দিয়া নাইডু ৷

নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল তিনি লিখেছেন, ‘ দিয়া নাইডু, আমার ভাইঝি একজন কোভিড ১৯ হিরো ৷ ও নিজের প্লাজমা দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে ৷ এটা এখন তরল সোনা এই মূল্যবান জিনিসটা এখন জীবন বাঁচাবে ৷ ’

৬৩ বছরের অভিনেত্রী অনুরোধ করেছেন তাঁর সমস্ত অনুরাগীরা যেন এই পোস্টটি পড়েন ৷ দিয়া নাইডু-র পোস্টটি পড়তে বলেছেন তিনি ৷ ওর নিজের অভিজ্ঞতা তিনি শেয়ার করেছেন নিজের পাতায় তিনি লিখেছেন প্লাজমা দিয়ে কেমন লাগছে ৷ এই মুহূর্তের এটাই সবচেয়ে বড় চাহিদা ৷ জীবন বাঁচাতে সাহায্য করুন ৷

 
View this post on Instagram
 

My darling niece Diya Naidu - I am so grateful to you brave child - a COVID19 warrior ( living in Bangalore) has agreed to donate her plasma to help cure other COVID19 serious patients. The process of donating plasma to treat COVID-19 is not very complex and can be done in just two hours. One of the most discussed methods of treatment of the disease caused by the novel coronavirus is plasma therapy, which involves the transfusion of plasma from a convalescent coronavirus patient to a critical patient. The blood of a recovering patient is rich in antibodies produced by the body to fight the virus, which are expected to help the critical patient recover.#covid_19 #plasmadonation #india

A post shared by nafisa ali sodhi (@nafisaalisodhi) on

বেঙ্গালুরুতে বসবাসকারী দিব্যা নাইডু একজন নৃত্যশিল্পী পাশাপাশি কোরিওগ্রাফার ৷ কর্ণাটকে প্লাজমা দানকারী তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি ৷ নিজের ভাইঝির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে তিনি জানিয়েছেন , ‘ আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ আমার সাহসী সন্তান ৷ একজন কোভিড ১৯ জয়ী নিজের প্লাজমা দিতে রাজি হয়েছেন ৷ আরও সিরিয়াস কোভিড ১৯ আক্রান্ত রোগিদের সেরে উঠতে যেটা সাহা়য্য করবে ৷ ’

প্লাজমা দেওয়ার সময় ঠিক কী করতে হয় বা কী অনুভূতি হয় সব কিছু বিবরণ দিয়েছেন দিব্যা ৷ যা অনুপ্রাণিত করবে অনেক অনেক করোনা আক্রান্তকে ৷

 
 
View this post on Instagram
 

Hello again. Another #covid19 update. They have just started an amazing plasma donation effort in Karnataka.The doctors are not allowed, but asked me to put this out there so here it is. I donated today. This method has been super effective wherever its been tried. The blood of a Covid recovered person is taken and separated into red blood cells and plasma. The plasma ( in pic) which is full of antibodies is given to a critical patient. What you see here is 1/3rd of the amount they took. This was after 1st cycle. They do 3. Basically that full bag is given to JUST ONE PATIENT. This means that the need for donors is pressing. But the process is so hopeful that it's great news.If you know people who have recovered please let them know. If they inbox me I will immediately put them touch with the doctors concerned. Feel free to pass on my number. The red blood cells are then returned to the donors body via the same needle so its very safe. All needles, tubing etc is disposed of as bio hazard. There is nothing to be afraid of. The normal pain that needles bring and a bit of wooziness. I am fine now and during the procedure was given calcium to eat as blood calcium dips. The doctor has asked me to really take care of myself so I can donate again in 2 weeks. It took about 4 to 5 hours or so, from the moment they picked me up to return me as preliminary tests had to be done to make sure I have no renal disease or HIV etc.This time taken will reduce for sure as I was only the 2nd person in the state to donate and they were figuring a few things out.Knowing that it could help a critical patient survive makes any pain, time, energy spent totally worth it.Please let people know that safe and successful ways are being explored and that there is hope. On a side note, it really helped them that I am physically active - in doctor speak, "good veins". The person before me had to donate through the neck as his veins were not large enough! When I asked why, this was their explanation.So do consider doing some regular movement that pumps the veins and muscles and improves the circulation and lung capacity.The medical team were amazing.lets try and help them. #inthistogether

A post shared by Diya Naidu (@diyanise) on

Published by: Debalina Datta
First published: April 28, 2020, 2:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर