হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
রেশনে ডাল, ছোলা অমিল, পথ অবরোধ করলেন ক্ষুব্ধ পরিযায়ী শ্রমিকরা

রেশনে ডাল, ছোলা অমিল, পথ অবরোধ করলেন ক্ষুব্ধ পরিযায়ী শ্রমিকরা

শ্রমিকদের অভিযোগ, বাড়ি ফিরে রেশনে চাল ছাড়াও মুসুর ডাল ও ছোলা মিলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল কিন্তু এখন কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র চাল দেওয়া হচ্ছে।

  • Last Updated :
  • Share this:

#বর্ধমান: রেশনে সরকারি ঘোষণা মত খাদ্য সামগ্রী মিলছে না- এই অভিযোগ তুলে পথ অবরোধ করলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা।পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার বামশোর গ্রামে পরিযায়ী শ্রমিকরা রবিবার সকালে বাদশাহী রোড অবরোধ করেন। তাদের বক্তব্য, বাইরের রাজ্য থেকে এসে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল, বাড়ি ফিরে গেলে চালের সঙ্গে ডাল ছোলা মিলবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র চাল দিচ্ছে রেশন ডিলার। ছোলা, ডাল কিছুই দেওয়া হচ্ছে না।তারই প্রতিবাদে এই রাস্তা অবরোধ।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় বাইরের রাজ্য থেকে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক জেলায় ফিরেছেন। করোনা আক্রান্ত পাঁচ  রাজ্য মহারাষ্ট্র দিল্লি গুজরাট মধ্যপ্রদেশের তামিলনাড়ু থেকে যারা ফিরেছেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকতে হচ্ছে। ওইসব শ্রমিকদের অভিযোগ, বাড়ি ফিরে রেশনে চাল ছাড়াও মুসুর ডাল ও ছোলা মিলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল  কিন্তু এখন কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র চাল দেওয়া হচ্ছে। ডাল বা ছোলা কিছুই বরাদ্দ হয়নি বলে জানাচ্ছে রেশন ডিলার। অথচ মাথাপিছু পাঁচ কেজি করে চাল ও পরিবার পিছু মাসে এক কেজি করে ছোলা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা  করেছিল সরকার। কিন্তু বাস্তবে তা না মেলায় এদিন সকালে বামশোর গ্রামের পরিযায়ী শ্রমিকরা স্থানীয় রেশন ডিলারের দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখায় ও বাদশাহী রোড অবরোধ করে।

তাঁরা বলছেন, লকডাউনে কাজ হারিয়ে দীর্ঘদিন বাইরের রাজ্যে আটকে ছিলাম। সেখানেই সব অর্থ শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোনও রকমে ধারদেনা করে বিশেষ ট্রেনে বাড়ি ফেরা সম্ভব হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা যাতে রেশনে খাদ্য সামগ্রী পায় তা নিশ্চিত করতে রেশন কার্ড নাই এমন শ্রমিকদের জন্য টেম্পোরারি কুপনের ব্যবস্থা করেছিল জেলা প্রশাসন। তাই রেশন কার্ড বা কুপন নিয়ে তেমন সমস্যা না থাকলেও গণবন্টন ব্যবস্থায় শুধুমাত্র চাল দেওয়া হওয়ায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

এ ব্যাপারে ভাতার ব্লক খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক দয়াময় গোস্বামী জানান, প্রথম দফায় মে জুন মাসের জন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের মাথাপিছু ৫ কেজি করে মোট দশ কেজি চাল ও পরিবার পিছু দু কেজি করে ছোলা এককালীন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন শুধুমাত্র পাঁচ  কেজি করে চাল দেওয়ার নির্দেশ এসেছে। সেই নির্দেশ মেনে রেশন খাদ্য সামগ্রী বরাদ্দ করা হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Elina Datta
First published:

Tags: Migrant workers, Ration, Ration distribution