করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চূড়ান্ত আতঙ্ক...সন্তানের জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত মা, বন্ধ হল মেডিকেল কলেজের প্রসূতি বিভাগ

চূড়ান্ত আতঙ্ক...সন্তানের জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত মা, বন্ধ হল মেডিকেল কলেজের প্রসূতি বিভাগ

নারকেলডাঙ্গার বাসিন্দা এক মহিলা প্রসব বেদনা নিয়ে কলকাতা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। শুক্রবার সন্তানের জন্ম দেন তিনি। সন্তান জন্মের পরপরই তার জ্বর, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপরেই করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে তাঁর।

  • Share this:

#কলকাতাঃ করোনা আতঙ্কে রাজ্যে একের পর এক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ এবং নার্সিংহোম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিয়ালদহ এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  পুরুষ মেডিসিন বিভাগ, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপর বেলগাছিয়া আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ মেডিসিন বিভাগ এবং হৃদরোগ বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। রবিবার আবারও  ভিআইপি রোডের চার্ণক নারসিঙ্ঘম বন্ধ করে দেওয়া হয় করোনা আতঙ্কে। এরই মধ্যে সোমবার নতুন সংযোজন কলকাতা মেডিকেল কলেজ। করোনা আতঙ্ক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে। সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা মেডিকেল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংয়ে প্রসূতি বিভাগে নতুন করে ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অপারেশন থিয়েটার সম্পূর্ণ বন্ধ। এমনকি চিকিৎসাধীন প্রসূতিদের ধীরে ধীরে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে অথবা অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। ৮ এপ্রিল বুধবার কলকাতা নারকেলডাঙ্গার বাসিন্দা এক মহিলা প্রসব বেদনা নিয়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ১০ এপ্রিল অর্থাৎ শুক্রবার অস্ত্রপচার করে তার সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পরপরই তার জ্বর, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। দ্রুত তার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠান হয়। রবিবার রাতে সেই নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে জানা যায়, প্রসূতি করোনা আক্রান্ত। করোনা হয়েছে এই খবর চাউর হতেই সাড়া হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসাধীন অন্যান্য প্রসূতিদের মধ্যেও ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়। আরও বেশি করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন  হাসপাতালের বাহিরে অপেক্ষারত প্রসূতিদের আত্মীয় পরিজনরা। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে কর্তব্যরত নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাফাইকর্মীরা অনেকেই।

হাসপাতালের অনেকেই ওয়ার্ডে কাজ করতে অস্বীকার করেন। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বৈঠক শুরু করে। সোমবার সকালেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নতুন করে কোনও রোগী ভর্তি নেওয়া হবে না। যে সমস্ত প্রসূতির অবিলম্বে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন তাদের অন্য বিভাগে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রপচার করা হবে, খুব আশঙ্কাজনক রোগীদেরকে পাশের ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করে চিকিৎসা করা হবে। যদিও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, হাসপাতাল চিকিৎসাধীন সব রোগীর পরিষেবায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার সব ব্যবস্থা করা হবে। তবে ওই মহিলা কীভাবে বয়া কার সংস্পর্শে এই এই মারণ ভাইরাসের করাল গ্রাসে পড়লেন, তা জানা যায়নি।

ABHIJIT CHANDA

Published by: Shubhagata Dey
First published: April 13, 2020, 1:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर