Help in Corona : হাসপাতালে পৌঁছতে সমস্যা? মুখ ঘুরিয়েছেন প্রতিবেশীরাও? মুশকিল আসান বেহালার শুভেন্দু!

Help in Corona : হাসপাতালে পৌঁছতে সমস্যা? মুখ ঘুরিয়েছেন প্রতিবেশীরাও? মুশকিল আসান বেহালার শুভেন্দু!

বিপদের বন্ধু গাড়িচালক শুভেন্দু ছবি : ফেসবুক

করোনা ভাইরাস নামের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে বিপর্যস্থ দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষও সাধ্যের মধ্যে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন সাহায্যের।

  • Share this:

    #কলকাতা : দেশজুড়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অক্সিজেন, শয্যা ও ওষুধের আকাল। সবমিলিয়ে করোনা ভাইরাস নামের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে বিপর্যস্থ দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষও সাধ্যের মধ্যে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন আর্ত জনের দিকে। নেটিজেনদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে চোখ রাখলেই চিকিৎসা সংক্রান্ত একাধিক সাহায্যের ঠিকানার খোঁজ মিলছে। বাস্তবে যা থেকে উপকৃতও হচ্ছেন রোগীর পরিজনরা। তবে তারই মধ্যে সময়মত চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছতে না পেরেও মৃত্যুমুখে ঢলে পড়ছেন মানুষ। আর তাঁদেরই পাশে দাঁড়াতে চাইলেন শহর কলকাতার এক গাড়িচালক।

    নিজের ফেসবুক পেজে ফোন নম্বর শেয়ার করে মানুষকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু সরকার নামের ওই ড্রাইভার। তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, "আমি শুভেন্দু সরকার, বেহালা নিবাসী, আমি একজন গাড়ি চালক, এই অতিমারীতে আপনারা যদি কেউ অসুস্থ হয়ে থাকেন এবং আপনাদের নিজের গাড়ি আছে কিন্তু কেউ হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইছে না সংক্রমণের ভয়ে। তাহলে আমায় ফোন করতে পারেন, আমি এগিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। আমার ফোন নম্বর ৯৯০৩০৭৭০৯৮"।

    শুভেন্দুর এই পদক্ষেপে প্রশংসার বন্যা বইছে তাঁর ফেসবুক পেজের কমেন্ট বক্সে। কেউ তাঁকে এই কাজের জন্য কুর্ণিশ জানাচ্ছেন, তো কেউ বলছেন আপনার জয় হোক, আবার কেউ বলছেন, "আপনার মতন কিছু মানুষের জন্যই পৃথিবীটা বাসযোগ্য আছে।" শুভেন্দুর মতো আরও অনেকেই আগামী দিনে করোনা আক্রান্ত মানুষের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসবেন বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

    করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অন্য প্রান্তের মতোই রাজ্যের অবস্থাও ভালো নয়। লাগামছাড়া হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞরাও এরাজ্যে করোনা ভয়াবহতার আরও ব্যাপক রূপ আশংকা করছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। সেফ হাউস থেকে শুরু করে চিকিৎসা সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুতের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে । তা সত্ত্বেও চিকিৎসার গাফিলতির খবর বার বার উঠে আসছে শিরোনামে। পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ে প্যানিক বাড়ছে মানুষের মনে। অনেক ক্ষেত্রেই সংক্রমিত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসছেন না মায় প্রতিবেশীরাও। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছতে না পেরে ঘরেই মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে ইতিমধ্যেই। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মত সহৃদয় গাড়িচালকের এই উদ্যোগটুকু আশা জাগাবে বলেই মনে করছেন নেটিজেনরা।C

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: