Coronavirus Death : কোভিডে ৩ মাসে মৃত্যু ৬০০০! চিতাভস্ম দিয়ে পার্ক তৈরি হবে এই শহরে...

অন্যরকম সৃষ্টি সুখ ছবি প্রতীকী

কোভিড বিধির কারণে (Coronavirus Protocol) অনেক পরিবারই তা নিয়ে জলে ভাসাতে পারেনি। এই চিতাভস্মকেই (Covid death Ashes) এবার কাজে লাগাতে চায় ভোপাল প্রশাসন। কোভিডে মৃতদের স্মৃতিতে তৈরি করতে চায় পার্ক।

  • Share this:

    #ভোপাল : করোনা ভাইরাস (Coronavirus) অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ (Pandemic Second Wave) ভেঙে দিয়েছে আগের সব রেকর্ড। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু মিছিল (Covid-19 Death) বেড়েছে বিদ্যুতের গতিতে। মারা গিয়েছেন লক্ষ মানুষ। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়, যে কবরস্থানে জায়গা সঙ্কুলান হচ্ছিল না মৃতদের (Covid-19 Death)। শ্মশানে দিন–রাত চুল্লি জ্বালিয়েও দাহ শেষ করা যায়নি। গঙ্গা-যমুনার মত নদীতে কোভিড রোগীদের মৃতদেহ ভেসেছে কোথাও, তো কোথাও বালির স্তুপে মিলেছে মৃতদেহ, এমনও অভিযোগ উঠেছে। মৃতদেহের মতোই দাহের পর জমতে থাকে চিতাভস্ম। কোভিড বিধির কারণে (Coronavirus Protocol) অনেক পরিবারই তা নিয়ে জলে ভাসাতে পারেনি। এই চিতাভস্মকেই (Covid death Ashes) এবার কাজে লাগাতে চায় ভোপাল প্রশাসন। কোভিডে মৃতদের স্মৃতিতে তৈরি করতে চায় পার্ক।

    ভোপালের ভাদভাদা বিশ্রাম ঘাটে ১৫ মার্চ থেকে ১৫ জুন, এই তিন মাসে ৬ হাজার দেহ পোড়ানো হয়েছে। এখন ২১ ট্রাক চিতাভস্ম পড়ে রয়েছে। কারণ কঠিন বিধির কারণে পরিবারের লোক তা নিতে আসতে পারেননি। এই চিতাভস্ম দিয়ে ১২ হাজার বর্গফিটের পার্ক তৈরি করতে চলেছে শ্মশান কমিটি।

    শ্মশান ম্যানেডমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মমতেশ শর্মা জানালেন, অনেক পরিবারই কোনওমতে অস্থি নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু চিতাভস্ম নিতে পারেননি। সেগুলো নর্মদার জলে ফেললে দূষণ বাড়বে। তাই তার সঙ্গে মাটি, গোবর, কাঠের গুঁড়ো, বালি মিশিয়ে পার্ক তৈরি হবে। সেই পার্কে হবে বৃক্ষরোপণ। মৃতের পরিবার চাইলে প্রিয়জনের স্মৃতিতে চারা রোপণ করতে পারবেন। ৫ থেকে ৭ জুলাই এই গাছ পোঁতার সময় পাবেন।

    মমতেশ শর্মা আরও জানালেন, এই পার্কে ৩,৫০০ থেকে ৪০০০ হাজার চারা রোপণ করা হবে। সেগুলোর বৃক্ষে পরিণত হতে ১৫ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। জাপানের ‘‌মিয়াওয়াকি’‌ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এই প্রযুক্তিতে ঘন অরণ্য তৈরি করা যায় সহজেই।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: