corona virus btn
corona virus btn
Loading

ইউহানের ল্যাবেই তৈরি হয়েছে কোভিড ভাইরাস ! চাঞ্চল্যকর দাবি চিনা ভাইরোলজিস্টের

ইউহানের ল্যাবেই তৈরি হয়েছে কোভিড ভাইরাস ! চাঞ্চল্যকর দাবি চিনা ভাইরোলজিস্টের
Screengrab of YouTube video.

চিন থেকে পালিয়ে আসা একজন ভাইরোলজিস্ট দাবি করেছেন, তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে যে সার্স-কোভ-২ ভাইরাস আসলে মানুষের তৈরি, ইউহানের এক ল্যাবে ।

  • Share this:

#ইউহান: প্রায় দশ মাস হতে চলল এই বিশ্বব্যাপী মহামারীর ৷ কিন্তু নতুন সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের কারণ এখনও অনিশ্চিত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী ও এপিডেমিওলজিস্টদের অনুমান, ভাইরাসটির উদ্ভব হতে পারে চিনের ইউহানের একটি বাজার থেকে।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রথমে চিনের ইউহান শহরেই হয়েছিল এবং জানা গিয়েছিল যে এটি একটি বাজারে পাওয়া গিয়েছে, যেটা শীঘ্রই হট স্পটে পরিণত হয়। পরে এই বাজারকেই ভাইরাসের উৎস কেন্দ্র হিসাবে বিবেচনা করা হয়। যেখানে একটি বাদুড় বা প্যাঙ্গোলিন থেকে একটি ভাইরাস লাফিয়ে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বলে অনুমান করেন অধিকাংশ মানুষই ৷

অনেকেরই অনুমান, ভাইরাসটি ‘ম্যান মেড’ ৷ তৈরি হয়েছে ইউহানের এক ল্যাবে। সেই ল্যাব একটি ভেজা সমুদ্র-খাবারের বাজারের কাছে হওয়ায় এই ভাইরাস বিপজ্জনকভাবে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এপ্রিলে ফরাসী নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী লাক মন্টাগনিয়ারও একই দাবি করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন।

চিন থেকে পালিয়ে আসা একজন ভাইরোলজিস্ট দাবি করেছেন, তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে যে সার্স-কোভ-২ ভাইরাস আসলে মানুষের তৈরি, ইউহানের এক ল্যাবে । আইটিভির এক অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন ডাঃ লি-মেঙ্গ ইয়ান। তিনি বর্ণনা করেছেন যে "তিনি একজন বিজ্ঞানী যিনি হংকং স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এ কাজ করার সময়ই চিনা সরকারের বিরুদ্ধে একজন হুইসেলব্লোয়ার হন। তাঁর অভিযোগ, চিনা সরকার প্রকাশ্যে মহামারীর বিষয়টা স্বীকার করার আগে থেকেই তাঁরা করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি জানেন।

ওই বিজ্ঞানী আরও যোগ করেন যে তাঁর নিজের সুরক্ষার জন্য তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। এখন তিনি তাঁর অনুসন্ধান বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। ডাঃ লি বলেন যে হংকংয়ের জনস্বাস্থ্য বিদ্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় তাঁর সহকারী তাঁকে ৩১ ডিসেম্বর প্রথমবার ইউহানের নতুন ‘সার্স-জাতীয়’ ভাইরাসের তদন্ত করতে বলেছিলেন - তবে তাঁর এই প্রচেষ্টা পরে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি রিপোর্ট করেছিলেন, যে করোনার কেসগুলি গুরুতরভাবে বাড়ছে বলে তাঁর মনে হয়। তবে তাঁকে বলা হয়েছিল চুপ থাকতে এবং সাবধানতা অবলম্বন করতে। পাশাপাশি তাঁকে এও বলা হয় যে " আমরা সমস্যায় পড়ব এবং আমাদের অদৃশ্য করে দেওয়া হবে।" ডাঃ লি আরও বলেছেন যে তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে যে ভাইরাসটি কোনও ভিজে-খাবারের বাজার থেকে নয়, এসেছে শহরের একটি ভাইরোলজি ল্যাব থেকে। ইউটিউবে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি বলেছেন, "জিনোম সিকোয়েন্সটি হল মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো। এর ভিত্তিতে আপনি এই জিনিসগুলি সনাক্ত করতে পারবেন।"

তিনি আরও যোগ করেন যে "আমি এই প্রমাণগুলি ব্যবহার করব এটা জানাতে যে কেন এই ভাইরাস চিনের ল্যাব থেকে এসেছে, কেন তারা এটি তৈরি করেছেন। যদি আপনার কোনও জীববিজ্ঞানের জ্ঞান নাও থাকে, তাও এটি পড়তে আপনি সক্ষম হবেন এবং এটি নিজেই যাচাই করতে পারবেন "। ডা. লি আরও যোগ করেছেন যে, দেশ ছেড়ে পালানোর আগেই চিনা কর্তৃপক্ষ তাঁকে অপমান করতে শুরু করে। ‘‘ ওরা আমার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলেছিল এবং আমার সম্পর্কে গুজব ছড়িয়ে দিতে বলেছিল লোকদের।’’

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: September 14, 2020, 7:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर