Covid 19 Third Wave: তৃতীয় ঢেউ কি আটকানো যাবে? আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

প্রতীকী ছবি৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রককে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকানো যায় (Covid 19 Third Wave)৷

  • Share this:

    #দিল্লি: করোনার তৃতীয় ঢেউ কি রোখা যাবে ভারতে? আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিনের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ এ দিন এমনই সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷ সতর্কবার্তায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউ রোখার ক্ষেত্রে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

    এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল বলেন, 'সংক্রমণের হার যে গতিতে কমছিল তা ফের থমকে গিয়েছে৷ এটা একটা বিপদ সংকেত৷ ভারতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷'

    এ দিন ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা বোঝাতে পুলিশকর্মীদের নিয়ে করা একটি সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আইসিএমআর৷ করোনা যোদ্ধা হিসেবে পুলিশ কর্মীদের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি৷ কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজই নিয়েছেন যে পুলিশকর্মীরা, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে তাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের ক্ষেত্রেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু আটকানো গিয়েছে৷ যাঁরা একটি ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৮২ শতাংশ ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণে মৃ্ত্যু এড়ানো গিয়েছে৷

    ভি কে পালের অবশ্য দাবি, জুলাই মাসের মধ্যে ৫০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার৷ সেই লক্ষ্য সম্ভবত পূরণও হয়ে যাবে৷ নতুন করে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের আরও ৬৬ কোটি ডোজের বরাত দিয়েছে সরকার৷ এ ছাড়াও আরও ২২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বেসরকারি হাসপাতাল বা টিকাকরণ কেন্দ্রগুলি৷

    ভি কে পাল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাস্থ্য মন্ত্রককে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকানো যায়৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বলেন, দৈনন্দিন কাজকর্ম যত স্বাভাবিক হচ্ছে ততই মাস্ক পরার প্রবণতা কমছে মানুষের মধ্যে৷ তিনি বলনে, 'মাস্ক পরাটা আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলা উচিত৷' লভ আগরওয়ালের অবশ্য দাবি, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন দৈনিক সংক্রমণের হার ক্রমশ কমছে৷ তিনি বলেন, 'মে মাসের ৫ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে গড়ে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৯৷ সেখানে ১৪ থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তা কমে হয়েছে ৪০,৩৩৬৷'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: