Covid Dead Body in Ganga: গঙ্গার চরের বালিতে থরে থরে পোঁতা করোনা আক্রান্তের দেহ! হাড়হিম করা ভিডিও ফাঁস...

গঙ্গার চরের বালিতে থরে থরে পোঁতা করোনা আক্রান্তের দেহ। সংরিগীত ছবি।

মোবাইল ফোনে তোলা ছবিতে স্পষ্ট উত্তরপ্রদেশের উন্নাও (Unnao) জেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গার তীরে বা নদীর মধ্যে জেগে ওঠা চরার বালিতে পুঁতে দেওয়া হচ্ছে করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ!

  • Share this:

    #লখনউঃ গঙ্গা-যমুনা দিয়ে বয়ে আসছে করোনায় (Covid Death) মৃতের পচাগলা অর্ধ-দগ্ধ দেহ (Covid patients were spotted floating on the Ganga river)। চলতি সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই এই ঘটনা বারে বারে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসছে। এমনকি উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) এবং বিহার (Bihar) থেকে বয়ে এসে দেহ মালদহ (Malda) দিয়ে বাংলায় ঢুকে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় নবান্ন (Nabanna) থেকে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের সীমানার মধ্যে মৃতদেহের প্রবেশ আটকাতে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় ফের যোগীর (Yogi Adityanath) রাজ্যের এক মর্মান্তিক ছবি সামনে উঠে এল। হাড়হিম হয়ে যাওয়া সেই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

    মোবাইল ফোনে তোলা ভিডিও ফুটেজ হেকে স্পষ্ট উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউ (Lucknow) থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে উন্নাও (Unnao) জেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গার তীরে বা নদীর মধ্যে জেগে ওঠা চরার বালিতে পুঁতে দেওয়া হচ্ছে করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ! একটি নয়, দুটি জায়গায় চলছে এই ভয়াবহ কর্মযজ্ঞ। প্রথমে এই বিশয়ে প্রশাসনের কোনও হেলদোল না থাকলেও, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। যদিও দেহগুলি করোনায় মৃতদের কিনা, তা নিয়ে সুস্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত।

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গেরুয়া কাপড়ে মুড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা এহ নিয়ে এসে পুঁতে দিচ্ছেন নদীর পারে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর উন্নাওয়ের এক সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, "যে দুটি ভিডিও সামনে এসেছে তার মধ্যে একটি উন্নাও-সহ তিনটি জেলার সবথেকে বড় শ্মশান। তাছাড়াও যে দেহগুলি সেখানে পুঁতে রাখা হচ্ছে, সেগুলি যে করোনা আক্রান্তের দেহ তার কোনও প্রমাণ নেই।" উন্নাওয়ের জেলাশাসক রবীন্দ্র কুমার বলেন, "অনেকেই আছেন যারা দেহ সৎকার না করে কবর দেন। আমি ঘটনার কথা জানার পরেই দফতরের আধিকারিকদের পাঠিয়েছিলাম। সঠিক তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছি।"

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: