'Coronil তৈরি করে পাপ তো করিনি, জঙ্গি হামলা তো নয়'! বাবা রামদেব

Baba Ramdev on Coronil

করোনার জন্য আয়ুর্বেদ ওষুধ করোনিল বাজারে আনছে পতঞ্জলি৷ দাবি ছিল তাদের৷ কীভাবে আয়ুষ মন্ত্রকের অনুমতি ছাড়া তারা এই দাবি করতে পারেন, সেই প্রশ্ন উঠেছিল৷

  • Share this:

    #হরিদ্বার: করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে করোনিল তৈরি করেছে রামদেবের পতঞ্জলি যোগপীঠ৷ পতঞ্জলি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেই ওষুধ ব্যবহারে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে আয়ুষ মন্ত্রক৷ এমনই দাবি করেছে পতঞ্জলি৷ আর এরপরই নিন্দুকদের উদ্দেশে মুখ খুলেছেন বাবা রামদেব৷ উত্তর দিলেন নানা অপমানের!

    বুধবার হরিদ্বারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগগুরু বলেন, করোনিল সামনে আসার পর থেকে অনেকে অনেক রকম কটূ কথা বলেছেন৷ তাঁর জাত, ধর্ম নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে৷ তাঁকে ও তাঁর সংস্থাকে নিয়ে কুৎসা রটানো হয়েছে৷ যেন আয়ুর্বেদ ও যোগ নিয়ে কাজ করা অপরাধ! এমনই অভিযোগ রামদেবের৷ তিনি বলেন, 'আমার নামে FIR দায়ের করা হয়েছে যেন আমি কোনও অপরাধ করেছি বা জঙ্গি কার্যকলাপ করেছি৷ অনেকে তো বলতেও শুরু করেছিলেন যে এবার আমি জেলেই যাব!'

    আরও পড়ুন কালীঘাট মন্দিরে পুজো নয়, টিপ বা চরণামৃতও নয়, শুধুমাত্র সময় ধরে মায়ের দর্শনে খুশি ভক্তরা

    যোগগুরু রামদেব ও আচার্য বালকৃষ্ণ গত ৩৫ বছর ধরে যোগচর্চা করে চলেছেন৷ যোগ ও আয়ুর্বেদের প্রচারও করছেন তাঁরা৷ তবে তাঁদের এই কাজ অনেকে অপছন্দ করছেন, অভিযোগ রামদেবের৷ সেকারণে করোনার জন্য ওষুধ তৈরি করে মারাত্মক নিন্দার মুখে পড়েছিলেন তাঁরা, মত যোগগুরুর৷

    করোনার জন্য আয়ুর্বেদ ওষুধ করোনিল বাজারে আনছে পতঞ্জলি৷ দাবি ছিল তাদের৷ তারপরই এই ওষুধ নিয়ে চর্চা শুরু হয়৷ কীভাবে আয়ুষ মন্ত্রকের অনুমতি ছাড়া তারা এই দাবি করতে পারেন, সেই প্রশ্ন উঠেছিল৷ এমনকী এই নিয়ে রাজস্থানে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে৷ এদিন সাংবাদিক বৈঠকে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রামদেব৷

    পতঞ্জলির আয়ুর্বেদের আচার্য বালকৃষ্ণ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ (জয়পুর)-এর ডিরেক্টর বি এস তোমর, তাঁর ছেলে অনুরাগ তোমার এবং সিনিয়ার সায়েন্টিস্ট অনুরাগ ভার্সনের বিরুদ্ধে সেই এফআইআরে নাম ছিল৷

    পতঞ্জলির অন্য ওষুধের সঙ্গে করোনিল খেলে করোনা সেরে যাবে, এমনই দাবি ছিল সংস্থার৷ এমনকি যে ক’জন রোগীর ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে, তারা সকলে এই ওষুধে সাড়া দিয়েছেন বলেও দাবি ছিল তাদের৷ এই পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে জয়পুরের ন্যাশনল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চে৷

    তাদের সিলমোহর ছাড়া করোনিল নিয়ে কোনও রকম প্রচার করা যাবে না, জানায় কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক৷ তাদের কাছে এই ওষুধের রিসার্চের নানা খুঁটিনাটি তথ্য জমা দেওয়ার কথা বলে কর্তৃপক্ষ৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: