করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিনা চিকিৎসায় করোনা আক্রান্ত রোগীর মারা যাওয়ার অভিযোগ, ফের অভিযুক্ত মেডিক্যাল কলেজ

বিনা চিকিৎসায় করোনা আক্রান্ত রোগীর মারা যাওয়ার অভিযোগ, ফের অভিযুক্ত মেডিক্যাল কলেজ

ডাক্তার ভেন্টিলেশনের কথা বললেও ফাঁকা না থাকার অজুহাত, ফের অভিযুক্ত মেডিক্যাল কলেজ৷

  • Share this:

#কলকাতা: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। গত ৭ মে করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর থেকেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে। সোমবার লকডাউনের দিনেও তার ব্যতিক্রম হল না। কলকাতার তপসিয়ার বাসিন্দা রঞ্জিত কুমার সাউ।

৫২ বছর বয়স্ক রঞ্জিত বাবুর মাস দেড়েক আগে লিভারে ক্যান্সার ধরা পড়ে। রাজারহাটের টাটা মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানেই গত ২১ অগাস্ট নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন রঞ্জিতবাবু। এরপরই ২২ অগাস্ট তাকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। গ্রীন বিল্ডিঙের ৫ তলায় তাকে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, মেডিক্যালে ভর্তি করার পরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে,চূড়ান্ত শ্বাসকষ্ট শুরু হয়,চিকিৎসক সিসিইউ বা ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার কথা বললেও সিসিইউ পাওয়া যায় নি। দুবার হাসপাতাল সুপারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো কাজ হয় নি। রবিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় রঞ্জিত কুমার সাউ এর।

মৃতের আত্মীয় পূর্ণিমা সাউ কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করেন,' একপ্রকার বিনা চিকিৎসাতেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিতবাবুর। বারবার করে সিসিইউ তে দেওয়ার কথা বললেও কেউ কানে নেয় নি। করোনা নিয়ে সব রাজনীতি চলছে। রাজনৈতিক নেতারা,প্রভাবশালীরা তাদের পরিচিতদের সিসিইউ পাইয়ে দিচ্ছে। আমাদের মতন সাধারন মানুষের কথা কেউ ভাবেনা। ক্যান্সারের চিকিৎসা তো দূর অস্ত,করণোরাই কোনো চিকিৎসা হলনা। রঞ্জিতবাবু এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তার শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর আমরা বার বার করে অনুরোধ করি, চার চার দিন ধরে সিসিইউ ফাঁকা হলো না, এ কি ভাবে সম্ভব!'

অন্যদিকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,' গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোগীর পরিবারকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে। কেন এতদিন ধরে সিসিইউ'তে পেল না এই রোগী, তা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক যদি এই ঘটনায় কারোর গাফিলতি প্রমাণিত হয় তবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

ABHIJIT CHANDA

Published by: Debalina Datta
First published: August 31, 2020, 9:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर