করোনা পরিস্থিতি অত্যন্ত আতঙ্কের রূপ নিচ্ছে, মোকাবিলায় পূর্ব বর্ধমানে কন্ট্রোল রুম খুলল প্রশাসন

অ্যাম্বুলেন্স পেতে এখনও সমান সমস্যা হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রোগীর জন্য একটা বেডের ব্যবস্থা করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন রোগীর আত্মীয়রা।

অ্যাম্বুলেন্স পেতে এখনও সমান সমস্যা হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রোগীর জন্য একটা বেডের ব্যবস্থা করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন রোগীর আত্মীয়রা।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্টিগ্রেটেড অ্যাডমিশন সেল খুলল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। করোনা আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেই এই সেল খোলা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এখান থেকে করোনা আক্রান্তদের ভর্তি ও চিকিৎসা ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, করোনা আক্রান্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে বা তাদের নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া সহ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য কাজ করছে এই সেল। হাসপাতালগুলিতে যাতে চিকিৎসক নার্স ওষুধ পেতে কোনও রকম সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করতে মনিটরিং করা হচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা স্বাস্থ্য দফতরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেই সঙ্গে পৌরসভাগুলি সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় রেখে কাজ করা হচ্ছে বলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজে টেলি মেডিসিন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। হাসপাতালে শিক্ষক চিকিৎসকরা তিনটে শিফটে এই টেলি মেডিসিন পরিষেবা দিচ্ছেন। এখানে ফোন করলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগী ও তার পরিজনদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়াও হাসপাতালে আউটডোরের জন্য অনলাইন পরিষেবা চালু হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন ছয় জন করে চিকিৎসক নিযুক্ত রয়েছেন। জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত ভাবে বেড়ে যাওয়ায় বেড সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বেড বাড়ানো নিশ্চিত করতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ স্বাস্থ্য দফতর ও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে নিয়ে কয়েক দফায় বৈঠক করেছেন জেলাশাসক সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও বড় নার্সিংহোমকে অন্ততপক্ষে ২৫ টি করে করোনা আক্রান্তের চিকিৎসার পরিকাঠামো তৈরি রাখতে বলা হয়েছে। কোথায় কত রোগী রয়েছে তা নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে কোনও রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে কলকাতায় স্থানান্তর করতে হলে রাজ্যের অ্যাডমিশন সেলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চালানো হচ্ছে। যদিও বাসিন্দাদের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স পেতে এখনও সমান সমস্যা হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রোগীর জন্য একটা বেডের ব্যবস্থা করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন রোগীর আত্মীয়রা।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: