হোম /খবর /ব্যবসা-বাণিজ্য /
এই কৃষকদের পিএম কিষাণের টাকা ফেরত দিতে হবে, আপনার নাম আছে কি না দেখে নিন!

এই কৃষকদের পিএম কিষাণের টাকা ফেরত দিতে হবে, আপনার নাম আছে কি না দেখে নিন!

প্রকল্পের মানদন্ড পূরণ করেন না এমন অনেক কৃষকই নাম লিখিয়েছেন। এবার তাঁদের প্রাপ্ত টাকা ফেরত দিতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার সুবিধাভোগী কৃষক যারা আয়কর দেওয়ার জন্য বা অন্যান্য কারণে অযোগ্য বিবেচিত হয়েছেন, তাঁদের কিস্তির টাকা ফেরত দিতে হবে। এই প্রকল্পে বার্ষিক ৬০০০ টাকা তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি যোগ্য কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কিন্তু দেখা গিয়েছে, এই প্রকল্পের মানদন্ড পূরণ করেন না এমন অনেক কৃষকই নাম লিখিয়েছেন। এবার তাঁদের প্রাপ্ত টাকা ফেরত দিতে হবে।

ডিবিটি এগ্রিকালচার বিহারের ওয়েবসাইট অনুসারে, ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার অধীনে ভারত সরকার যে সমস্ত সুবিধাভোগীকে আয়কর প্রদানের জন্য বা অন্যান্য কারণে অযোগ্য ঘোষণা করেছে, সেই সমস্ত কৃষককে বাধ্যতামূলকভাবে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিমাণ ফেরত দিতে হবে’। এ জন্য দুটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সেগুলি হল, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ৪০৯০৩১৩৮৩২৩ অ্যাকাউন্ট নম্বরে। আইএফএসসি কোড এসবিআইএন০০০৬৩৭৯। এবং আরেকটি অ্যাকাউন্ট হল ৪০৯০৩১৪০৪৬৭। আইএফএসসি কোড এসবিআইএন০০০৬৩৭৯। টাকা ফেরত দেওয়ার পর ইউটিআর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন: স্বপ্নের বাড়ি এবার উঠবে বাস্তবেই, দেখে নিন কোথায় সেরা হোম লোনের অফার মিলছে!

ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, ‘কপিটি আপনার কৃষি সমন্বয়কারী বা জেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জমা দিন। প্রতারকদের এড়িয়ে চলুন এবং অন্য কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলবেন না’।

অযোগ্য কৃষকের তালিকায় নাম কীভাবে পরীক্ষা করতে হবে: প্রথম ধাপ - https://dbtagriculture.bihar.gov.in/ ওয়েবসাইটে যেতে হবে। দ্বিতীয় ধাপ – এরপর অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাসে গিয়ে ‘পিএম কিষাণ ট্যাক্স ইনএলিজেবল ফার্মার’-এ ক্লিক করতে হবে। তৃতীয় ধাপ – ১৩ ডিজিটের নম্বর বা ফোন নম্বর লিখে সার্চ করলে যাবতীয় তথ্য বেরিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: এক নজরে দেখে নিন ২০২২ সালের কয়েকটি সেরা পেনি স্টকের হালহদিশ!

ভুল থাকলে কী হবে: যদি একজন কৃষককে আয়করের কারণে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়, কিন্তু তিনি কোনও কর প্রদান করেন না, এমনটা হলে কৃষককে ২০১৭-২০১৮ থেকে ২০২১-২২ পর্যন্ত আইটিআর-এর প্রমাণ দাখিল করতে হবে। কৃষি সমন্বয়কারী বা জেলা কৃষি অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে যাতে প্রমাণগুলি ভারত সরকার পর্যালোচনা করে দেখে।

অযোগ্য কৃষক কারা: পিএম কিষাণ ওয়েবসাইট অনুযায়ী –

প্রাতিষ্ঠানিক জমির মালিক।

নিম্নলিখিত এক বা একাধিক শ্রেণীভুক্ত কৃষক পরিবার: প্রাক্তন বা বর্তমানে সাংবিধানিক পদে আসীন। প্রাক্তন ও বর্তমান মন্ত্রী/রাজ্য মন্ত্রী এবং লোকসভা/রাজ্যসভা/রাজ্য বিধানসভা/রাজ্য বিধান পরিষদের প্রাক্তন/বর্তমান সদস্য, পৌর কর্পোরেশনের প্রাক্তন ও বর্তমান মেয়র, জেলা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন ও বর্তমান চেয়ারম্যানরা।

কেন্দ্রীয়/রাজ্য সরকারের মন্ত্রনালয়/অফিস/বিভাগ এবং এর ফিল্ড ইউনিটের সমস্ত কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য পিএসই এবং সরকারের অধীনে সংযুক্ত অফিস/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় সংস্থার নিয়মিত কর্মচারী (মাল্টি টাস্কিং স্টাফ / চতুর্থ শ্রেণি ব্যতীত) /গ্রুপ ডি কর্মচারী)। এই ক্যাটাগরির সকল বরখাস্ত/অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগী যাদের মাসিক পেনশন ১০,০০ টাকা বা তার বেশি (মাল্টি টাস্কিং স্টাফ / চতুর্থ শ্রেণি / গ্রুপ ডি কর্মচারী ব্যতীত)।

গত বছরে আয়কর প্রদান করেছেন এমন ব্যক্তি।

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং স্থপতিদের মতো পেশাদাররা।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: PM Kisan Samman Nidhi Yojana, PM Kisan Yojana