Union
Budget 2023

Highlights

হোম /খবর /ব্যবসা-বাণিজ্য /
এক ধাক্কায় বস্তা পিছু ২০-৩০ টাকা, দাম বাড়ল সিমেন্টের, বাড়ি বানাতে খরচও বাড়বে!

এক ধাক্কায় বস্তা পিছু ২০-৩০ টাকা, দাম বাড়ল সিমেন্টের, বাড়ি বানাতে খরচও বাড়বে!

প্রতীকী ছবি ৷

প্রতীকী ছবি ৷

সব মিলিয়ে বাড়ি বানাতে সাধারণ মধ্যবিত্তের যে নাভিশ্বাস উঠতে চলেছে সে কথা বলাই বাহুল্য।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মুদ্রাস্ফীতির ধাক্কা এবার পড়তে চলেছে আবাসন শিল্পে। বাড়ি বানানোর খরচ আরও বাড়তে চলেছে। সোমবার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে দক্ষিণ ভারতের একাধিক সিমেন্ট সংস্থা। প্রতি বস্তায় ৩০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। এই ঘোষণার পরই হু-হু করে পড়তে শুরু করেছে সিমেন্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর। জানা গেছে, রেমকো সিমেন্ট ২ শতাংশ, ইন্ডিয়া সিমেন্ট প্রায় ৩ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে বাড়ি বানাতে সাধারণ মধ্যবিত্তের যে নাভিশ্বাস উঠতে চলেছে সে কথা বলাই বাহুল্য।

কোথায় দাম বাড়ছে: অন্ধ্র, তেলঙ্গানায় সিমেন্টের প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। একই সময় তামিলনাড়ুতে সিমেন্ট কিনতে বস্তা প্রতি ৩০ টাকা বাড়তি খরচ করতে হবে। কর্নাটকের চিত্রটাও একই। সেখানেো বস্তা প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা দাম বৃদ্ধি হয়েছে।

সিমেন্টের এই দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষকে দ্বিমুখী সমস্যার মুখে পড়তে হবে। প্রথমত নতুন বাড়ি তৈরির খরচ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, খরচ বৃদ্ধির কথা বলে নির্মাতারা ফ্ল্যাটের দাম বাড়িয়ে দেবে। ইতিমধ্যেই সুদের হার বাড়ায় সাধারণ মানুষকে বেশি টাকা ইএমআই গুণতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সিমেন্টের দাম বাড়ায় চাপ আরও বাড়ল।\

আরও পড়ুন: অকালে চুল পেকে ব্যক্তিত্বের দফারফা? ঘরেই চুল কুচকুচে কালো করার রইল হাতে গরম সহজ টিপস!

এখানেই শেষ নয়। আইআইএফএল সিকিউরিটজ বলছে, সিমেন্ট কোম্পানিগুলি আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে আরও ৬ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়াতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, সিমেন্ট তৈরির খরচ বেড়েছে। সেই বর্ধিত খরচ গ্রাহকদের পকেট থেকেই তুলতে চাইছে সিমেন্ট কোম্পানিগুলো।

আরও পড়ুন: অব্যবহৃত বাসনে ছাতা পড়ে গিয়েছে? ঘরোয়া টোটকায় তুলে ফেলুন সহজেই

অপরিশোধিত তেল ব্যারেল প্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে। অন্য দিকে, কয়লা উত্তোলনের খরচও বেড়েছে। বিদ্যুত ও জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে মালবাহী শুল্কও বেড়েছে। এখানে বলে রাখা ভাল, ৫০ শতাংশ সিমেন্ট শুধুমাত্র সড়ক পথেই পরিবহন করা হয়। ফলে সিমেন্ট তৈরির খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে এগুলোও যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে দাম বাড়ছে সিমেন্টের। প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ আর্থিক বছরের প্রথম ৬ মাসে সিমেন্টের চাহিদা ২০ শতাংশ বাড়ে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে অসময়ের বৃষ্টি এবং নির্মাণ শ্রমিকের অপ্রতুলতার কারণে চাহিদা পড়ে যায়।

Published by:Arjun Neogi
First published:

Tags: Business News