
দোল মানেই রঙের উৎসব। সেই রঙে যাতে শরীরের কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকে এখন বাড়তি নজর আমজনতার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যত বেশি স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে, ততই কদর বাড়ছে ভেষজ আবিরের। বর্তমান বাজারে ভেষজ আবির ছাড়া দোলের আনন্দ যেন ফিকে। তাই দোলের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই তমলুকের আবির কারখানাগুলিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে।
বিষ্ণুপুরে 'কবিতার ফেরিওয়ালা'। তিনি পেশায় টোটো চালক, কিন্তু নেশায় কবি। রাস্তায় ছুটছে তাঁর 'কবিতার গাড়ি'! বাঁকুড়ার মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর শহরের রাস্তায় ছুটে চলা একটি টোটোই এখন কবিতার ভ্রাম্যমান আসর।
বড় জমি লাগবে না, বাড়ির ছাদেই করতে পারেন আদা চাষ, কম খরচে বিপুল লাভ। বাড়ির আনাচে কানাচে হবে আদা চাষ! কৃষি দফতর বা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র নয় এবারে স্কুলেই মিলছে চাষের ক্ষেত্রে পরিচর্যার বিশেষ প্রশিক্ষণ। উন্নতমানের নামিদামি ফসল, সবজি-সহ বিভিন্নরকম চাষে স্কুল পড়ুয়াদের উদ্যোগী করে তুলতে অভিনব উদ্যোগ স্কুল কর্তৃপক্ষের। মালদহের মানিকচক ব্লকের সাহেবনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের হাতে-কলমে শেখান হল আদা চাষের বিশেষ পদ্ধতি। জমি বা ফাঁকা জায়গা নয়, বাড়ির ছাদ অথবা অল্প জায়গাতেই কীভাবে সহজে আদা চাষ করবেন জেনে নিন
একটানা ‘স্ক্রিন টাইম’ ক্ষতিকর। আবার বারে বারে ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখাও ভয়ানক৷ দুই অভ্যাসই বড্ড ক্ষতি করছে শরীরের। কারণ গবেষণা বলছে, যত বার আপনি কাজের মাঝে ফোনের দিকে তাকাবেন, তত বারই এক আশ্চর্য বদল ঘটে যাবে মস্তিষ্কে। যাতে অজান্তেই হচ্ছে বড় ক্ষতি৷ এই নিয়ে একটি গবেষণা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ গবেষকেরা জানাচ্ছেন, বারে বারে ফোন দেখলে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। কাজের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আগে কী কাজ করছিলেন, তা ভুলে যান৷ এতে মনোযোগ তো নষ্ট হয়ই, স্মৃতিশক্তিও নষ্ট হতে থাকে। গবেষণা বলছে, দিনে ৮০ থেকে ৯০ বা কিছু ক্ষেত্রে ১০০ বারেরও বেশি ফোন দেখার অভ্যাস আছে অনেকেরই। এতে বারে বারে মনোযোগের বারোটা বাজছে। এমন করতে করতে কোনও কাজই আর মন দিয়ে করা সম্ভব হয় না। কাজের প্রতি উৎসাহ হারিয়ে যায়৷ ধীরে ধারে হতাশা গ্রাস করে আপনাকে৷
শীতের ফূর্তি-আনন্দ শেষ হতে না হতেই বসন্ত, আর বসন্ত মানেই দোল, হোলি। রঙে রঙে মেতে ওঠার সময়। শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসবের মেজাজই আলাদা। তবে এবার কলকাতার কাছেই মিলবে শান্তিনিকেতনের আমেজ। মাত্র ৩৫০ টাকায় বসন্ত উৎসবের প্যাকেজ
তারাপীঠে ২০২৪ সালে কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় দ্বারকা নদের ধারে সন্ধ্যা আরতি শুরুর মধ্য দিয়ে তারাপীঠে পর্যটন পরিকাঠামোয় নতুন পালকের সংযোজন হয়েছিল। কিন্তু এখন সেই দ্বারকা নদই দূষিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই নদে জল নেই বললেই চলে। জল ধরে রাখার জন্য চেক ড্যামের আবেদন জানানো হলেও সেটা কোনও এক কারণবশত বাস্তবায়িত হয়নি। আর এই কারণেই পুণ্যার্থী, পর্যটকদের এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দ্বারকায় আরতির আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে এসেছিল। অবশেষে তারাপীঠে দ্বারকা নদের পাড়ে নিত্য আরতি বন্ধ হয়ে গেল। তারাপীঠে মন্দির ছাড়া ঘুরতে যাওয়ার তেমন জায়গা না থাকায় পুণ্যার্থীদের আক্ষেপ ছিল বহুদিন থেকে। সেই কারণে প্রায় পাঁচবছর আগে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের পক্ষ থেকে আনুমানিক প্রায় আট কোটি টাকা খরচে দ্বারকার পশ্চিমপাড়ে ৫০০মিটার অংশ সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। নদীর পাড় উঁচু করে ঢালাই দিয়ে বাঁধিয়ে পার্ক গড়ে তোলা হয়। টাইলস বসানো রাস্তা, নিরিবিলি বসার জায়গা ও আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরপরে ২০২৪সালে কৌশিকী অমাবস্যার দিন থেকে দ্বারকা নদের পাড়ে আরতি শুরু হয়। এতে পর্যটকদের কাছে তারাপীঠের আকর্ষণ বেড়ে যায়। বারাণসীর দশাশ্বমেধ ঘাটে বছরের ৩৬৫দিন গঙ্গা আরতি হয়। সেই আদলেই দ্বারকার পাড়ে আরতি শুরু হওয়ায় ভক্তরা খুশি ছিলেন। কিন্তু ক্রমশ দ্বারকা নদের জল কমে আসতে থাকে। তার উপর দূষণও বাড়ছে। এই কারণেই সন্ধ্যা আরতি বন্ধ করতে বাধ্য হন মন্দির কমিটি।
আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনিতে দীপঙ্কর সরকার ও তাঁর স্ত্রীর দোকানে সুজি দিয়ে তৈরি হোয়াইট সস পাস্তা জনপ্রিয়, পর্যটকরাও এখানে ভিড় করেন। ময়দা নয়, সুজির পাস্তা স্বাস্থ্যকর! কালচিনির প্রধান রাস্তায় দীপঙ্কর সরকার ও তাঁর স্ত্রী একটি ছোট দোকান চালান। এই দোকানে তাঁদের হাতে তৈরি হোয়াইট সস পাস্তা খেতে আসেন পর্যটকরাও। সকলের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ময়দার ব্যবহার তাঁরা করেন না। সুজির পাস্তা দিয়েই এই খাবার তৈরি করেন তাঁরা। পাস্তা খেতে কমবেশি সকলেই ভালবাসে। সাদা খাবার বললে বাঙালি ভাত বোঝে, আর সস বললেই টমেটো সস। কিন্তু হোয়াইট সস আবার বিশেষ কিছু রেসিপির জন্য বিখ্যাত। এই হোয়াইট সস পাস্তা বেশ প্রসিদ্ধ একটি খাবার। নিজের এলাকায় হাতের নাগালে হোয়াইট সস পেয়ে আহ্লাদে আটখানা আলিপুরদুয়ারবাসী। এটি একটি ইটালিয়ান খাবার হলেও বর্তমানে সারা বিশ্বের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রেসিপি খুব সহজ। শুধু কিছু কথা মাথায় রাখলেই কেল্লাফতে। যে কেউ বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারবেন।গ্যাসে প্যান বসিয়ে তেল গরম করে সুইট কর্ন, ব্রকোলি, সবুজ এবং লাল ক্যাপ্সিকাম হালকা ভেজে নিতে হয়। তারপরে জল দিয়ে হাফ চা চামচ লবণ এবং গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হয়। আরেকটি পাত্রে মাঝারি আঁচে সামান্য লবণ ও পাস্তা দিয়ে সেদ্ধ বসাতে হয়। সাদা সস প্রস্তুত করার জন্য হালকা আঁচে প্যান বসিয়ে মাখন গরম করতে হয়। মাখন গলে গেলে এতে গ্রেট করা রসুন দিয়ে এক মিনিট ভাজতে হয়। তারপর তাতে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে খুব ভালভাবে ভেজে প্যানে দুধ দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হয়। প্রয়োজন হলে তাতে আরও লবণ এবং গোলমরিচ দিতে হবে। সব শেষে পাস্তা, সবজি মিশিয়ে দিন।
সকাল হোক অথবা বিকেল একটু অন্য স্বাদের খাবার খেতে খেতে কার না মন চায়। তার ওপর যদি হয় ইতালিয়ান খাবার, তাহলে তো কোনও কথা নেই। ময়দা ছাড়া শুধুমাত্র সুজি দিয়ে তৈরি হোয়াইট সস পাস্তা খেতে ভিড় জমে কালচিনির এই দোকানটিতে।
Earpods Side Effects: সারাক্ষণ ইয়ারফোন বা ইয়ারপডস্ ব্যবহার করছেন। সাবধান। জানেন, কি মারাত্মক হতে পারে? কতটা ঝুঁকি নিচ্ছেন নিজের জীবন নিয়ে? সামান্য ইয়ারফোন আপনার জীবনকে ওলট পালট করে দিতে পারে।
ফুচকার নাম শুনলে জিভে জল আসে না, এমন খাদ্যরসিকের দেখা মেলা ভার। সেদ্ধ আলু-ছোলায় মশলার মাখামাখি, ফুচকার পুরে তেঁতুল জলের সঙ্গত...! এবার ফুচকা প্রেমীদের জন্য সুখবর। ১০০ টাকায় মিলছে আনলিমিটেড ফুচকা।
যেদিকে দু'চোখ যায় শুধু রঙিন ফুলের হাতছানি,ঘুরে আসুন বসিরহাটের ফুলের উপত্যকায়। চারপাশে রঙিন ফুলের সমারোহে। শীতের আমেজে বসিরহাটের ঘোষবাড়ি এখন রঙিন ফুলের সম্ভারে মোড়া এক স্বপ্নিল ঠিকানা। ইনকা গাঁদার উজ্জ্বল হলুদ, বোগেনভিলিয়ার বেগুনি-গোলাপি আভা আর ডালিয়ার নানা রঙের বাহারে চারদিকে রঙের ঝিলিমিলি
যাঁরা বাইক হাতে পেলেই অজানার পথে ছুটে যেতে ভালোবাসেন, কিংবা ছুটি পেলেই একটু নির্জনতা খুঁজে বেড়ান, তাঁদের জন্য এই জায়গা হতে পারে একেবারে আদর্শ ঠিকানা। কালো পিচের রাস্তা, তার দু’পাশ জুড়ে ঘন সবুজ জঙ্গল। চারপাশে নেই শহরের কোলাহল, নেই যানজটের ব্যস্ততা। শুধু রাস্তা, প্রকৃতি আর আপনার বাইকের শব্দ। নির্জনতাই এই পথের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
কাশ্মীরের কেশর এবার মুর্শিদাবাদে টবে ফুটেছে শিক্ষক রুপেশ দাসের চেষ্টায়, যা কৃষি ও উদ্যানপ্রেমীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার বার্তা!
মালদহের মুকুটে নতুন পালক ! পদ্মশ্রী পাচ্ছেন মালদহের প্রাক্তন রেলকর্মী, সাহিত্যিক অশোককুমার হালদার। ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারের তরফে প্রকাশিত হয়েছে সেই তালিকা। শিক্ষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন অশোককুমার হালদার। মালদহের অশোক কর্মজীবন শুরু করেছিলেন রেলের নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে। মালগাড়ির একাকিত্ব কাটাতে কাজের ফাঁকেই লেখা শুরু করেন তিনি। পরে সাহিত্যিক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে লেখালিখির পর ২০২৬ সালের পদ্মসম্মানের তালিকায় উঠে এসেছে তাঁর নাম।
নাক নিয়ে খুঁত খুঁত? এবার রক্তপাত ছাড়াই নাক নিখুঁত করুন। নাকের অপারেশনে উন্নত প্রযুক্তি। অত্যাধুনিক যন্ত্রে নাকের অপারেশন