
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি। ইরান বনাম ইজরায়েল আমেরিকার হামলা পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মৃত্যুমিছিল। যুদ্ধের জেরে তৈলধমনী স্ট্রেট অফ হরমুজ বন্ধ করেছে ইরান। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানে। একেবারে খাদের কিনারায় পাকিস্তানের অর্থনীতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি সাশ্রয়ে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ করল পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফের সরকার। ঘোষণা করা হয়েছে, চলতি সপ্তাহ শেষ হতেই পাকিস্তানের সমস্ত স্কুল টানা দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ক্লাস হবে শুধুমাত্র অনলাইনে। ব্যাংক বাদে সমস্ত সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চারদিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা বাদে সরকারি দফতরের ৫০ শতাংশ কর্মীকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী দু মাস সরকারি দফতরগুলোর জন্য জ্বালানি বরাদ্দে ৫০ শতাংশ কাটছাঁট করা হবে বলেও জানিয়েছে পাক সরকার। এমনকি মন্ত্রীদের ভাতাও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন করোনার সময় লকডাউনের স্মৃতি। লকডাউন পরিস্থিতিই কি ফিরবে পাকিস্তানে, প্রশ্ন অনেকেরই।