East Bardhaman News: বর্ধমানের আকাশে ডার্বি, টানটান উত্তেজনা! মোহনবাগান নাকি ইস্টবেঙ্গল কে হবে ভোকাট্টা?
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
East Bardhaman Kite Flying Festival: মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে ৩ দিনের ঘুড়ির উৎসবে মেতে উঠেছে বর্ধমান শহরবাসী। উড়ছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের ঘুড়ি। এবার মাঠে নয় আকাশেও হচ্ছে ডার্বি। অপেক্ষা গোলের নয়, শুধু একটা শব্দ 'ভোকাট্টা'-র
advertisement
1/8

এবার মাঠে নয় আকাশেও হচ্ছে ডার্বি। বর্ধমানে তিনদিন ধরে চলবে এই ম্যাচ। প্রতিটি ছাদে ছাদে, পাড়ায় পাড়ায় টানটান উত্তেজনায় চলছে ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগান। তবে অপেক্ষায় এখানে গোলের নয় শুধু একটা শব্দ 'ভোকাট্টা'-র। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/8
বর্ধমানের আকাশে ডার্বি। টানটান উত্তেজনা। কে হবে ভোকাট্টা? ট্রেডিশনাল লাল, নীল ,হলুদ ,সবুজ ঘড়ির বাইরে বেরিয়ে বর্ধমানের ঘুড়ির মেলায় শহরবাসী মজেছে ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানে। দোকানে দোকানে জমছে ভিড় ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ঘুড়ির জন্য। এমনকি আধুনিকতার ছোঁয়ায় উড়ছে অপারেশন সিঁদুর থিমের ঘুড়িও।
advertisement
3/8
ক্রীড়া প্রেমীরা বলেন, বাঙালি মানে ফুটবল আর ফুটবল মানেই ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান। তাই ঘুড়ির মেলাতেও বজায় থাক ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের খুনসুটি। এই খুনসুটির মধ্যে দিয়েই ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে হাসি, মজা, আনন্দ, আড্ডার পাশাপাশি রয়েছে এক তক, ঝাল, মিষ্টি লড়াই।
advertisement
4/8
পৌষ সংক্রান্তির থেকে তিন দিনব্যাপী ঘুড়ির মেলায় মেতে ওঠেন শহরবাসী। ঘুড়ি, লাটাই হাতে ছাদে ছাদে, পাড়ায় পাড়ায় ঘুড়ি ওড়াতে ব্যস্ত ৮ থেকে ৮০। পিছিয়ে নেই মহিলারাও। সঙ্গে চলছে রান্নাবান্না, খাওয়া-দাওয়া ছাদেই একেবারে পিকনিক মুডে শহরবাসী।
advertisement
5/8
সকাল থেকেই হু হু করে বইছে উত্তরে হাওয়া, সঙ্গে শীতের মিঠেল রোদ আর থেকে থেকে শোনা যাচ্ছে ঘুড়ি উৎসবের চেনা পরিচিত সেই আওয়াজ 'ভোকাট্টা'। দেখা যাচ্ছে সেই চেনা ছবি ঘুড়ি কাটলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুড়ির পিছনে দল বেঁধে দৌড়াচ্ছে খুদেরা। বিভিন্ন থিমের ঘুড়ির পাশাপাশি আকাশজুড়ে পেটকাট্টি, চাঁদিয়াল, বকমার-সহ লাল, নীল, সাদা, কালো রকমারি ঘুড়ির মেলা।
advertisement
6/8
কলকাতা-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ির মেলা হলেও বর্ধমানে রাজ আমল থেকেই পৌষ সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানোর চল রয়েছে।বর্ধমান মহারাজ মহাতাব চাঁদ তাঁর আমলে দেশ-বিদেশ থেকে নানা রঙের, নানা আকারের ঘুড়ি আনাতেন। এমনকি কারিগরদের নিয়ে এসে ঘুড়ি তৈরি করানো হতো রাজবাড়িতেই।
advertisement
7/8
পৌষ সংক্রান্তির সকাল থেকে রাজবাড়ির ছাদে ঘুড়ি ওড়ানোর আনন্দে মেতে উঠতেন বর্ধমানের মহারাজা মহাতাব চাঁদ। রাজা বা সেই রাজ আমল না থাকলেও ঘুড়ি ওড়ানোর প্রথা আজও পুরো মাত্রায় বজায় রয়েছে বর্ধমান শহরে।
advertisement
8/8
তবে একদিন নয়, তিনদিন ধরে বর্ধমানে চলে এই মেলা। প্রথমদিন বর্ধমান শহরে, দ্বিতীয়দিন বাহিরসর্বমঙ্গলা পাড়া এবং তৃতীয় দিনে সদরঘাটের দামোদরের চরে হয় ঘুড়ির এই মেলা। শহরের নানান জায়গায় পৌষ সংক্রান্তির অনেকদিন আগে থেকেই কাগজ ও প্লাস্টিকের রংবেরঙের ঘুড়ি পসরা সাজিয়ে বসেন ঘুড়ি ব্যবসায়ীরা। ঘুড়ির মেলা মানেই ছুটির আমেজে মেতে ওঠে ছোটো থেকে বড়ো সকলেই। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: বর্ধমানের আকাশে ডার্বি, টানটান উত্তেজনা! মোহনবাগান নাকি ইস্টবেঙ্গল কে হবে ভোকাট্টা?