Digha Fish Crisis: দিঘায় মাছের হাহাকার, ভাগ্য ভাল হলে শুধু জুটছে ইলিশ! ব্যান পিরিয়ডের আগেই সব উধাও, মাথায় হাত মৎস্যজীবীদের
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Mediinipur Digha Fish Crisis: ব্যান পিরিয়ডের কাউন্টডাউন শুরু, তার আগেই সামুদ্রিক মাছের সংকট। দিঘা উপকূলে সেভাবে দেখা নেই সামুদ্রিক মাছের। সমস্যায় পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। মাঝে মধ্যে ওড়িশা উপকূল থেকে ইলিশ আসছে দিঘা মোহনায়।
advertisement
1/6

আর মাত্র দেড় মাস। তারপরেই সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হবে। শুরু হবে ব্যান পিরিয়ড। কিন্তু এখনও দিঘা উপকূলে সেভাবে দেখা নেই সামুদ্রিক মাছের। সমস্যায় পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। পেশা টিকিয়ে রাখতেই এখন বাড়ছে দুশ্চিন্তা। মাঝে মধ্যে প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা উপকূল থেকে ইলিশ এসে পৌঁছচ্ছে দিঘা মোহনায়। তবে তা নিয়মিত নয়। যেন ভাগ্যের ওপরই নির্ভর করছে বাজার। মাঝেমধ্যেই দেখা মিলছে রুপোলি শস্যের, যা কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের। (ছবি ও তথ্য - মদন মাইতি)
advertisement
2/6
৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। দাম তুলনামূলক কম হলেও সরবরাহ সীমিত। চাহিদা থাকলেও সবার হাতে ইলিশ পৌঁছচ্ছে না। অন্যদিকে সামুদ্রিক মাছের দেখা নেই বললেই চলে। মাছের আকাল স্পষ্ট হয়ে উঠছে আড়ত থেকে খুচরো বাজার পর্যন্ত। এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ট্রলার মালিক, শ্রমিক ও মাছ ব্যবসায়ীরা। অনেকেই বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে শুরু করেছেন।
advertisement
3/6
মৎস্যজীবীদের দাবি, একবার সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে বিপুল খরচ বহন করতে হয়। ডিজেল, বরফ, খাদ্য ও শ্রমিকদের পারিশ্রমিক মিলিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা লাগে একটি ট্রিপে। প্রতি বছর খরচ বাড়ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে। কিন্তু মাছ না উঠলে সেই টাকা ওঠানো কঠিন। ফলে মরশুম শেষ হওয়ার প্রায় দু’ মাস আগেই অধিকাংশ ট্রলার সমুদ্রে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
advertisement
4/6
আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর এলাকায় মাছ ধরার অনুমতি রয়েছে। ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হবে নিষেধাজ্ঞা বা ব্যান পিরিয়ড। কিন্তু ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করেছে। জেলার নথিভুক্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ট্রলার বিভিন্ন মৎস্য বন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মৎস্যজীবীদের বক্তব্য, মাছ না থাকলে সমুদ্রে যাওয়া মানেই লোকসান। তাই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না অনেকেই।
advertisement
5/6
এর প্রভাব পড়েছে উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকার বাজারেও। কাঁথি, রামনগর, এগরা ও পটাশপুর সহ একাধিক বাজারে সামুদ্রিক মাছের অভাব দেখা দিয়েছে। বাঙালির পাতে তাই প্রিয় সামুদ্রিক মাছ প্রায় উধাও। তবে মাঝে মধ্যে ওড়িশা থেকে আসা ইলিশ কিছুটা আনন্দ দিচ্ছে ক্রেতাদের। দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস “দিঘা মোহনায় মাঝেমধ্যেই ইলিশ দেখা মিলছে। তবে তা প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা থেকে আনা। ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ। বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়।"
advertisement
6/6
দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মাত্র ১০ শতাংশ ট্রলার মাছ ধরতে গিয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ মেট্রিক টন মাছ বাইরে থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ সামুদ্রিক মাছের আড়ত দিঘা মোহনায় এই সংকটের প্রভাব স্পষ্ট। সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেও দামের ওঠানামা করছে। (ছবি ও তথ্য - মদন মাইতি)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Digha Fish Crisis: দিঘায় মাছের হাহাকার, ভাগ্য ভাল হলে শুধু জুটছে ইলিশ! ব্যান পিরিয়ডের আগেই সব উধাও, মাথায় হাত মৎস্যজীবীদের