Valentine Day: মনিবের ভালবাসা আর পাওয়া যাবে না, শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে পোষ্য বানর! খাওয়াদাওয়া ছেড়ে তিলে তিলে মরছে ফোট্টু
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Bardhaman Valentine Day: মাত্র ১৫ দিন বয়সে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে রেখে বড় করেছেন। প্রতিদিন আদর করে খাওয়াতেন। সেই মনিবের মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে পোষ্য বানর। ছেড়েছে খাওয়াদাওয়া, আচরণ বদলে গিয়েছে।
advertisement
1/6

বাড়ির মনিবের মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া গ্রামের লালমুখো বাঁদর ‘ফোট্টু’। খাওয়াদাওয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েছে সে। শোকে ও অভিমানে আচরণেও এসেছে পরিবর্তন, যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই আঁচড় বসাচ্ছে। পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে থাকায় বৃহস্পতিবার তাকে বনদফতরের হাতে তুলে দেন পরিবারেের সদস্যরা। তাঁদের একটাই ইচ্ছে, আদরের ফোট্টু যেন সুস্থ ও নিরাপদে থাকে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/6
ফোট্টু ছিল শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রূপনাথ কর্মকার (৬০) এর পোষ্য। চারদিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রূপনাথবাবু। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই ফোট্টুর আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। সে খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং অস্থির হয়ে পড়ে।
advertisement
3/6
রূপনাথবাবুর স্ত্রী কাঞ্চন কর্মকার জানান, “আমি সকালে খেতে দিতে গেলে সে খায়নি। উল্টে আমার ডান হাতে কামড়ে দিয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই সে যেন সব ছেড়ে দিয়েছে।” পরিবারের আশঙ্কা ছিল, এভাবে চলতে থাকলে ফোট্টু অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়েই বনদফতরের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
advertisement
4/6
জানা গিয়েছে, রূপনাথ কর্মকারের বাড়িতেই ছিল সাইকেল সারাইয়ের দোকান। প্রায় সাত বছর আগে গ্রামেই মাত্র পনেরো দিনের এক লালমুখো বাঁদরছানাকে কুকুরের আক্রমণ থেকে উদ্ধার করেন তিনি। সন্তান স্নেহে বাড়িতে নিয়ে এসে লালনপালন শুরু করেন। সেই থেকেই ফোট্টু হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী।
advertisement
5/6
রূপনাথবাবু নিজ হাতে ফোট্টুকে দু’বেলা কলা খাওয়াতেন, আদর করতেন। ধীরে ধীরে গ্রামের বহু মানুষের কাছেও প্রিয় হয়ে ওঠে ফোট্টু। রূপনাথবাবুর ছেলে প্রসেনজিৎ কর্মকার বলেন, “বাবার মৃত্যুর পর ও আমাদের হাত থেকে কিছুই খাচ্ছিল না। তাই ভাবলাম, এভাবে থাকলে ওর শারীরিক অবস্থা খারাপ হবে। সেই কারণেই বনদফতরকে ডেকে তুলে দিই।”
advertisement
6/6
এদিন ফোট্টুকে বাগে আনতে বনকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। শেষে খাঁচাবন্দি করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান রমনাবাগান অভয়ারণ্যতে। সেখানে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মনিবের প্রতি একটি পোষ্যের এমন গভীর টান যে কতটা হতে পারে, ফোট্টুর ঘটনাই তার জীবন্ত প্রমাণ।(তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Valentine Day: মনিবের ভালবাসা আর পাওয়া যাবে না, শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে পোষ্য বানর! খাওয়াদাওয়া ছেড়ে তিলে তিলে মরছে ফোট্টু