TRENDING:

Anandapur Fire Incident: ওইখানটায় বাইক, সাইকেল রেখে কাল গুদামে ঢুকেছিলেন হয়ত, আজ আর ওঁরা ‘নেই’! ২৪ ঘণ্টায় আনন্দপুরে...সব শেষ

Last Updated:
সাধারণত, খাদ্য পানীয় সরবরাহের জন্যই ছিল ওই গুদাম ঘর৷ মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সরবরাহকারী প্লাস্টিকের পাত্র, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল৷ অনেক কর্মীই সেখানে রাতের বেলা থেকে যেতেন৷ মেসের মতো থাকা-খাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো আনন্দপুরের এই দুই গুদাম৷ সম্ভবত, তাঁদের রান্নার কোনও সিলিন্ডার বিস্ফোরণেই এই অগ্নিকাণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে৷
advertisement
1/7
ওইখানটায় বাইক, সাইকেল রেখে কাল গুদামে ঢুকেছিলেন হয়ত, আজ আর ওঁরা ‘নেই’! সাইকেলগুলো আছে
আনন্দপুর: ভিতরে তখনও দেখা যাচ্ছে আগুনের আভা৷ চতুর্দিকে ছড়িয়ে কালো ছাইয়ের কাদা৷ ঠান্ডা পানীয়ের ক্যানগুলো সব থরে থরে সাজিয়ে রাখা৷ কোথায় যে ঝলসানো মৃতদেহ পড়ে রয়েছে, খুঁজে বের করা কঠিন৷ আলাদা করা যাচ্ছে না কিছুই৷ এই ধ্বংস চিহ্নের ঠিক পাশেই নিথর হয়ে যাওয়া প্রাণের অতীত চিহ্ন হয়ে একলা দাঁড়িয়ে রয়েছে ওগুলো৷
advertisement
2/7
সোমবার ভোর রাত ৩টে নাগাদ আগুন লাগে আনন্দপুরের নাজিরাবাদের শুকনো খাবারের গুদামে৷ আনন্দপুরের গুদামের বাইরে পার্ক করে রাখা একটা মোটরবাইক৷ সেই মোটরবাইকের ঠিক পাশেই সার সার দেওয়া কিছু বাইসাইকেল৷ গতকালই হয়ত কোথাও ডেলিভারি সেরে গুদামের বাইরে এই ভাবে সাইকেল মোটরবাইক রেখেছিলেন ওরা৷ আজ তাঁরা হঠাৎ করেই ‘নেই’ হয়ে গেলেন৷ মালিকহীন জড়বস্তুগুলো দাঁড়িয়ে রইল ঘটনার ভয়াবহতার সাক্ষী হয়ে৷
advertisement
3/7
আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৮ জনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে৷ যদিও মৃতদেহগুলি দেখে কিছুতেই চেনার উপায় নেই৷ নরেন্দ্রপুর থানার তরফে জানানো হয়েছে, যাঁরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের নথি তাঁদের কাছে জমা দিয়েছেন, তাঁরা যেন মঙ্গলবারের মধ্যে থানায় গিয়ে ডিএনএ নমুনা জমা দেন৷
advertisement
4/7
সাধারণত, খাদ্য পানীয় সরবরাহের জন্যই ছিল ওই গুদাম ঘর৷ মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সরবরাহকারী প্লাস্টিকের পাত্র, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল৷ অনেক কর্মীই সেখানে রাতের বেলা থেকে যেতেন৷ মেসের মতো থাকা-খাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো আনন্দপুরের এই দুই গুদাম৷ সম্ভবত, তাঁদের রান্নার কোনও সিলিন্ডার বিস্ফোরণেই এই অগ্নিকাণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে৷
advertisement
5/7
মেদিনীপুর পিংলাতে বাড়ি ছিল কৃষ্ণেন্দু ধারার। পরিবারে আরেকটু সাচ্ছন্দ্য ফেরাতে কলকাতায় পাড়ি দিয়েছিলেন। বছর দেড়েক আগে কাজ নেন আনন্দপুরের এই ডেকোরেটর্সে। পিংলার তিন বন্ধুর সঙ্গে এসেছিলেন। আরও অনেকের সঙ্গে এই গোডাউনের মধ্যেই রান্না করে খাওয়া হত এবং মেস করে থাকতেন বলে পরিবার জানিয়েছে। কখনও সাত দিন কখনো ১৫ দিন পর বাড়ি ফিরতেন। রবিবারও রাত ন'টায় নিয়ম করেই ফোন করেছিলেন প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলতে। সেটাই শেষ কথা..... খবর পেয়ে পিংলা থেকে ছুটে এসেছেন আত্মীয়রা আধার কার্ড বুকে নিয়ে অধীর অপেক্ষায়। যদি একটু শেষ দেখা হয়।
advertisement
6/7
বাসুদেব সরকার। বারুইপুর থেকে প্রতিদিন আসতেন। কখনো রাতে থাকতেন কখনও ফিরে যেতেন বাড়ি। প্রায় দশ বছর কাজ করছেন এই খাদ্য সরবরাহ সংস্থায়। আগে শহরে ছিলেন কয়েক বছর এখানে এসেছেন। তার ছেলে এবং জামাই অপেক্ষায়। সকাল থেকে এসে সন্ধ্যে গড়িয়ে গেছে৷ এখনও প্রিয়জনের দেখা মিলল না।
advertisement
7/7
কৃষ্ণেন্দু-বাসুদেবদের মতো নিখোঁজ এখন ২৫ জন৷ তাঁরা কোথায়? তাঁরা কি সকলেই অগ্নিকাণ্ডের সময় আনন্দপুরের ওই গুদামে ছিলেন? হাহাকার আর অপেক্ষার মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাঁদের আত্মীয়েরা৷
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Anandapur Fire Incident: ওইখানটায় বাইক, সাইকেল রেখে কাল গুদামে ঢুকেছিলেন হয়ত, আজ আর ওঁরা ‘নেই’! ২৪ ঘণ্টায় আনন্দপুরে...সব শেষ
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল