TRENDING:

স্বামী-স্ত্রী ছেঁড়া জামা পরতেন, হঠাৎ বদলে গেল সব...! দামি গাড়ি, ঝকঝকে বাড়ি! কী ভাবে? যা জানা গেল, শিউরে উঠবেন!

Last Updated:
Husband-Wife Secret Earning: পুরনো, ছেঁড়া জামাকাপড় গায়ে জড়িয়ে উৎসবের দিনেও স্বামী-স্ত্রী তাকিয়ে থাকতেন অন্যদের জৌলুসের দিকে। কেউ যখন নতুন শাড়ি বা দামি পাঞ্জাবি কিনত, তখন তাঁরা পুরনো পোশাকে লজ্জা লুকিয়ে হাসতেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন সব বদলে গেল! কী করে সম্ভব?
advertisement
1/11
স্বামী-স্ত্রী ছেঁড়া জামা পরতেন, হঠাৎ বদলে গেল সব...! দামি গাড়ি, ঝকঝকে বাড়ি! কী ভাবে?
প্রতিবেশীদের তুলনায় এই স্বামী-স্ত্রী ছিলেন অভাবী। পুরনো, ছেঁড়া জামাকাপড় গায়ে জড়িয়ে উৎসবের দিনেও তাকিয়ে থাকতেন অন্যদের জৌলুসের দিকে। কেউ যখন নতুন শাড়ি বা দামি পাঞ্জাবি কিনত, তখন তাঁরা পুরনো পোশাকে লজ্জা লুকিয়ে হাসতেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন সব বদলে গেল! একসময় যাঁরা দু'বেলা খেতে পেলেও খুশি থাকতেন, তাঁরা হঠাৎ বিলাসবহুল জীবনযাপন শুরু করলেন। দামি গাড়ি, ঝকঝকে বাড়ি, নিত্যনতুন পোশাক—সবকিছুই যেন রাতারাতি বদলে গেল। কী করে? এর পর যা জানা গেল...শিউরে উঠবেন।
advertisement
2/11
কিন্তু এই বদলের রহস্য কী? এত টাকা এল কোথা থেকে? ফাঁস হল তাঁদের আয়ের আসল গোপন সূত্র, তখন পুলিশ অফিসাররাও হতবাক! কারণ এই দম্পতি রাতারাতি ধনী হওয়ার লোভে পা বাড়িয়েছিলেন এক ভয়ঙ্কর জগতে...জানেন কী হল তার পর?
advertisement
3/11
উত্তরপ্রদেশের বেরেলি থেকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, স্বামী-স্ত্রী অত্যন্ত দরিদ্র অবস্থায় একটি বাড়িতে থাকতেন। দু'জনেই পুরনো, ছেঁড়া কাপড় পরে দিন কাটাতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন এই দম্পতি বিলাসবহুল জীবনযাপন শুরু করেন। যখন তাঁদের আয়ের গোপন রহস্য ফাঁস হয়, তখন পুলিশ পর্যন্ত হতবাক হয়ে যায়।
advertisement
4/11
পুলিশ বহুবার চেষ্টা করেও এই পরিবারকে ধরতে পারেনি। কারণ এই চক্রটি এতটাই সুগঠিত ছিল যে, তাঁরা বারবার পুলিশের নজর এড়িয়ে যেত। বিভিন্ন পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যবহার করত তাঁরা—কিছুটা ট্রেনে, কিছুটা বাসে ভ্রমণ করত, যাতে সহজে শনাক্ত না হয়। তবে এবার পুলিশ কৌশল বদলায়। পুরো পরিবারের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকে রেখে নজরদারি চালায় পুলিশ।
advertisement
5/11
ধনী প্রতিবেশীদের সঙ্গে পাল্লা দিতে এই দম্পতি বেআইনি আফিম পাচার শুরু করেন। তাঁদের পুরো পরিবারই এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ঝাড়খণ্ড থেকে চোরাই পথে আফিম এনে তা কম দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করত এই পরিবার।
advertisement
6/11
এইভাবে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে এলাকায় নিজেদের প্রভাবশালী করে তুলছিলেন তাঁরা। অবশেষে পুলিশের কড়া নজরদারিতে এই দম্পতি ও তাঁদের এক ভাইকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাঁদের আরেক ভাই পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এখন পুলিশ তদন্ত করছে, এই পরিবারের আফিম পাচারের নেটওয়ার্ক ঠিক কতদূর বিস্তৃত।
advertisement
7/11
এই আফিম পাচারকারী পরিবারটি কোটওয়ালি ফরিদপুর এলাকার গৌসপুর গ্রামের বাসিন্দা। এখানকার বাসিন্দারা বেশ সম্পন্ন। এই গ্রামেরই এক ব্যক্তি, সর্দার খান, প্রতিবেশীদের সঙ্গে পাল্লা দিতে বেআইনি আফিম পাচারের পথ বেছে নেন। তিনি শুধু নিজে এই ব্যবসায় জড়াননি, স্ত্রী নাসরিন, ভাই গওস মোহাম্মদ ও পেয়ার মোহাম্মদকেও এই চক্রে টেনে নেন।
advertisement
8/11
এই গোটা পরিবার খুব চতুরতার সঙ্গে ঝাড়খণ্ড থেকে আফিম নিয়ে এসে বেশি দামে বিক্রি করত। তাঁদের পাচার পদ্ধতিও ছিল বেশ নিখুঁত। পুরো পরিবার বিভিন্ন জায়গায় ভাগ হয়ে যেত পাচারের সময়। প্রথমে একজন ঝাড়খণ্ড থেকে আফিম নিয়ে আসত, এরপর তা অন্য একজনের হাতে তুলে দিত। এভাবে ধাপে ধাপে পাচার চক্রটি চলত এবং আফিম পৌঁছে যেত বেরেলিতে।
advertisement
9/11
অবশেষে, ফরিদপুর কোটওয়ালি থানার পুলিশ অপারেশন চালিয়ে আফিম পাচারকারী সর্দার খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন ও ভাই গওস মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে। তবে তাঁদের আরেক ভাই, পেয়ার মোহাম্মদ, পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়।
advertisement
10/11
তিনজন পাচারকারীর কাছ থেকে ১ কেজি ৪৯২ গ্রাম উন্নতমানের আফিম উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের হিসেব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া আফিমের বাজারমূল্য প্রায় ২১ লক্ষ টাকা। এই পুরো পরিবার ঝাড়খণ্ড থেকে সস্তায় আফিম কিনে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় তা উচ্চমূল্যে বিক্রি করত।
advertisement
11/11
অবৈধ মাদক ব্যবসার টাকায় এই পরিবার সম্পত্তি গড়ার পরিকল্পনা করছিল। আপাতত পুলিশ ধৃত তিন পাচারকারীকে জেলে পাঠিয়েছে এবং এই পরিবারের সম্পত্তির উৎস নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। পাশাপাশি, পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই পাচারকারী চক্র ঠিক কতটা বিস্তৃত এবং আর কে কে এতে জড়িত। **এসপি অংশিকা ভার্মা এই ঘটনায় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
স্বামী-স্ত্রী ছেঁড়া জামা পরতেন, হঠাৎ বদলে গেল সব...! দামি গাড়ি, ঝকঝকে বাড়ি! কী ভাবে? যা জানা গেল, শিউরে উঠবেন!
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল