খনিতে যে পরিমাণ সোনা আছে, তাতে সোনা মজুতে নাকি আমেরিকার পরেই উঠে আসবে ভারত ! এই দাবি কি সঠিক?
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
advertisement
1/5

উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে দু-দুটি সোনার খনির খোঁজ মিলল। প্রায় ৩০ বছর খোঁড়াখুঁড়ির পর নতুন সোনার খনির খোঁজ পাওয়া গেল। দুটি খনি থেকে প্রায় ৬০ হাজার টন আকরিক সোনা মিলতে পারে বলে আশাবাদী জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার।
advertisement
2/5
গত তিন দশকে এই প্রথম দেশে সোনার খনির খোঁজ। ৩০ বছর পর ফের মিলল সোনার ভাণ্ডার ৷ খোঁড়াখুঁড়ি শুরু সেই ১৯৯২ সালে। সোনার সন্ধানে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে খোঁড়াখুড়ি শুরু করে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। কিন্তু সোনার কণারও সন্ধান মিলছিল না। ২৮ বছর পর হাতেনাতে রেজাল্ট। একটা নয়, দু-দুটো সোনার খনি। জোড়া সোনার খনি আবিষ্কারের নমুনা ভারতে কেন, এশিয়াতেই খুব বেশি নেই।
advertisement
3/5
সোনপাহাড়ি ও হরদি ব্লক এলাকায় সোনার খনি মিলেছে ৷ দুটি খনিতে ৫৮ হাজার ২৮৬ টন আকরিক সোনা মজুত বলে দাবি করা হচ্ছে ৷ বিহার লাগোয়া সোনভদ্রে এই বিপুল সোনার খোঁজ। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২৬ টন সোনা সঞ্চিত রয়েছে ৷ সোনভদ্রের দুটি খনিতেই প্রায় ৬০ হাজার টন আকরিক সোনা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ৷ ১৯৯২ সালে সোনভদ্রে সোনার খোঁজে সমীক্ষা শুরু করে জিএসআই।
advertisement
4/5
২০০৫ সালে ২টি ব্লকে সোনার হদিশ মেলে ৷ ২০১২ সালে গোল্ড লেয়ার ( সোনার স্তর) খুঁজে পান গবেষকরা ৷ প্রথমে খবর রটে যায়, শুধু সোনভদ্রেই যা সোনা রয়েছে, তাতে সোনা মজুতে আমেরিকার পরেই উঠে আসবে ভারত। কিন্তু জিএসআই আধিকারিকরা স্পষ্ট করেন, আকরিক সোনা থেকে খাঁটি সোনা সংগ্রহের কাজ বেশ কঠিন। আকরিক সোনা থেকে কতটা খাঁটি সোনা পাওয়া সম্ভব? তা আগে থেকে নিশ্চিত করা অসম্ভব বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
5/5