জানা গিয়েছে, সোমবার রাত প্রায় ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে ছাত্রদের মধ্যে বচসা থেকে ধস্তাধস্তি, তারপরই পাথর ছোড়ার ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হন বলে দাবি উভয় পক্ষের।
আরও পড়ুনঃ সোনার বাংলা প্রতারিত হয়েছে তৃণমূল আমলে, ভোটমুখী বাংলাকে চিঠিতে একাধিক প্রতিশ্রুতি মোদির
advertisement
ABVP-র অভিযোগ, বামপন্থী সংগঠনের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদের উপর হামলা চালায়। তাঁদের দাবি, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্কুল এলাকায় পড়াশোনা করা ছাত্রদের ঘিরে মারধর করা হয় এবং আতঙ্কের মধ্যে অনেককে নিজেদের ঘরে তালাবন্ধ হয়ে থাকতে হয়। সংগঠনটি এই ঘটনাকে “নৃশংস” ও “টার্গেটেড” হামলা বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে দিল্লি পুলিশের হস্তক্ষেপ ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে।
অন্যদিকে, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, সংঘর্ষের সূচনা করেছে ABVP-ই। তাঁদের অভিযোগ, স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের ডাকে জেএনইউএসইউ-র ক্যাম্পাসে ছাত্রদের উপর এবিভিপি সদস্যরা পাথর ছোড়ে, যার জেরেই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার জেএনইউ ছাত্র সংসদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত-এর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি তফসিলি জাতি সংক্রান্ত মন্তব্য করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। যদিও উপাচার্য পরে দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য প্রসঙ্গচ্যুত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বজায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
