Travel Plan in Winter Holiday: শীতের ছুটিতে টুক করে ঘুরে আসতে পারেন সবুজদ্বীপে! কলকাতার খুব কাছে, খরচ নামমাত্র
- Reported by:Buddhadev Bera
- hyperlocal
- Published by:Raima Chakraborty
Last Updated:
Travel Plan in Winter Holiday: সুবর্ণরেখা ও ডুলুং এই দুই নদীর মিলনস্থলে গড়ে এই সবুজদ্বীপের ইকো নেস্ট থাকার খরচ কত? রইল বিশদে...
advertisement
1/9

পর্যটকদের জন্য বড় খুশির খবর দিল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দফতর। ভগ্নপ্রায় দশায় পড়ে থাকা একটি পার্কে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার জন্য বরাদ্দ করা হল প্রায় ১ কোটি টাকা। ফলে পর্যটকদের ভিড় যেমন বাড়বে তেমনই কর্মসংস্থান হবে স্থানীয় বহু যুবক যুবতীর। সুবর্ণরেখা ও ডুলুং এই দুই নদীর মিলনস্থলে গড়ে উঠেছিল এই এলাকা।
advertisement
2/9
জঙ্গলমহলে পর্যটনের মানচিত্রে সংযুক্ত করা হয়েছিল এই সবুজদ্বীপকে। সবুজদ্বীপের ৪০০ একর জমিকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল "কোদপাল ইকো নেস্ট" প্রকল্প। ২০০ একর জমিতে ছিল বিভিন্ন ফলের বাগান ও ভেষজ উদ্ভিদ। তৈরি হয়েছিল বিলাসবহুল আটটি কটেজ।
advertisement
3/9
দুই নদীর মিলনস্থলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ওয়াজ টাওয়ার। ছোটদের খেলার জন্য বিনোদনের নানা সামগ্রী।
advertisement
4/9
গৌতম বুদ্ধ থেকে শুরু করে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসর পর্যন্ত তৈরি করা হয়েছিল কোদপাল ইকো নেস্টে। এই কোদপাল ইকো নেস্টের হাত ধরেই কর্মসংস্থান হয়েছিল জঙ্গলমহলের বহু আদিবাসী মূলবাসী মানুষের। কিন্তু বর্তমানে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কার্যত কঙ্কালের দশায় পরিণত হয়েছে কোদপাল ইকো নেস্ট। মুখ ফিরিয়েছেন পর্যটকরাও।
advertisement
5/9
ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের রোহিণী গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদপাল এলাকায় সুবর্ণরেখা ও ডুলুং নদী মিলিত হয়েছে। দুই নদীর মিলনের ফলে বিশাল আকৃতির একটি সবুজদ্বীপের সৃষ্টি হয়। এই সবুজদ্বীপ কে প্রশাসনের উদ্যোগে ২০১৮ সালে নতুন রূপ দেওয়া হয়। পর্যটকদের কাছে নতুন মাত্রা নিয়ে আসে এই সবুজদ্বীপ। সুবর্ণরেখা বা ডুলুং নদী নৌকায় করে পেরিয়ে পর্যটকদের পৌঁছতে হত এই পর্যটনস্থলে।
advertisement
6/9
সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে কোদপাল ইকো নেস্ট প্রকল্প। প্রকল্পটিকে নতুন রূপ দেওয়ার জন্য ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন পর্যটন দফতরেরকাছে প্রস্তাব পাঠায়। সেই মতো ৯৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য পর্যটন দফতর কোদপাল ইকো নেস্টকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার জন্য।
advertisement
7/9
ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল বলেন,"কোদপাল ইকো নেস্ট প্রকল্পটিকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য আমরা পর্যটন দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। সেই মতো ৯৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কোদপাল ইকো নেস্টকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য। কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে"।
advertisement
8/9
গ্রীষ্মের সময় ডুলুং নদীর উপর তৈরি করা হতকাঠের কজওয়ে। যার ফলে বাইক থেকে শুরু করে চার চাকা গাড়ি নিয়ে সোজা পৌঁছে যাওয়া যেত কোদপালে। এক মনোরম পরিবেশের জন্য পর্যটকের ঢল নামত। করোনা পর্যায়ের পর পর্যটকের আনাগোনা বন্ধ হতেই বন্ধ হয়ে যায় রক্ষণাবেক্ষণ। বর্তমানে ঝোপঝাড় গ্রাস করেছে পুরো প্রকল্পটিকে। কোদপাল ইকো নেস্ট নতুন রূপে ফিরে এলে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে এই সবুজদ্বীপে। ফলে এই এলাকার মানুষজনের বাড়তি একটি উপার্জনের পথ খুলে যাবে।
advertisement
9/9
অনলাইন এবং অফলাইন দুই মাধ্যমেই বুকিং করা যায়। জেলার বিশেষ ওয়েবসাইট থেকে থাকার জন্য বুকিং করতে পারবেন। অন্যদিকে অফলাইন মাধ্যমে ব্লক অফিসে এসে অ্যাকাউন্ট সেকশনে থেকে রুম বুকিং করতে হবে। নাগালের মধ্যে একরাত থাকার জন্য খরচ পড়তে পারে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।(বুদ্ধদেব বেরা)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Travel Plan in Winter Holiday: শীতের ছুটিতে টুক করে ঘুরে আসতে পারেন সবুজদ্বীপে! কলকাতার খুব কাছে, খরচ নামমাত্র