Fruits to control Cholesterol: ৫ ফলের পঞ্চবাণ! কোলেস্টেরল রোগীদের কাছে ওষুধের মতো! শিরা থেকে টেনে বার করে নোংরা ময়লা! অবিশ্বাস্য উপকারিতা!
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Fruits to control Cholesterol: বর্তমানে উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের একটি প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি শিরায় জমা হয়ে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে আপেল, লেবু জাতীয় ফল, অ্যাভোকাডো, পেঁপে এবং নাশপাতির মতো ফল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে এবং ধমনী পরিষ্কার থাকে।
advertisement
1/6

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ত্রুটিপূর্ণ জীবনযাপন এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাবে বহু মানুষ উচ্চ কোলেস্টেরলের শিকার হচ্ছেন। কোলেস্টেরল হল একটি মোমজাতীয় পদার্থ যা আমাদের শিরায় জমা হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডাক্তাররা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ দিয়ে থাকেন। তবে, এই ঔষধগুলোর সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ফল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত কমানো যায় এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, প্রকৃতি আমাদের এমন অনেক ফল দিয়েছে যা প্রাকৃতিক স্ট্যাটিনের মতো কাজ করে। বলছেন বিশেষজ্ঞ দীপশিখা জৈন৷
advertisement
2/6
আপেল : কোলেস্টেরল কমানোর জন্য আপেলকে সবচেয়ে কার্যকরী ফলগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে পেকটিন নামক এক প্রকার দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রে কোলেস্টেরলের শোষণকে বাধা দেয়। এছাড়াও, আপেলে থাকা পলিফেনল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে তা ধীরে ধীরে আপনার ধমনীর দেয়ালে প্লাক জমা হওয়া কমাতে পারে।
advertisement
3/6
লেবুজাতীয় ফল: কমলা, লেবু এবং জাম্বুরার মতো লেবুজাতীয় ফল ভিটামিন সি এবং ফাইবারের শক্তিশালী উৎস। এগুলিতে থাকা হেস্পেরিডিন এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। বিশেষ করে কমলা কোলেস্টেরলকে জারণ থেকে রক্ষা করে, ফলে শিরায় প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি কমে। তাজা রস পান করার পরিবর্তে সরাসরি এগুলো খাওয়া বেশি উপকারী, কারণ এটি শরীরকে প্রয়োজনীয় ফাইবারও সরবরাহ করে।
advertisement
4/6
অ্যাভোকাডো: অনেকেই 'চর্বি' শব্দটি নিয়ে ভয় পান, কিন্তু অ্যাভোকাডোতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড হৃৎপিণ্ডের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন একটি করে অ্যাভোকাডো খেলে খারাপ কোলেস্টেরল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এটি শুধু কোলেস্টেরলই কমায় না, বরং শরীরের লিপিড প্রোফাইলের ভারসাম্যও রক্ষা করে, যা রক্তনালীগুলোকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। যারা স্থূলতা এবং কোলেস্টেরল উভয় সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই ফলটি আদর্শ।
advertisement
5/6
পেঁপে: পেঁপে ফাইবার এবং লাইকোপিনের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি শুধু হজমে সাহায্যই করে না, ধমনীতে কোলেস্টেরল জমা হওয়াও প্রতিরোধ করে। পেঁপেতে থাকা ভিটামিন এ এবং সি কোলেস্টেরলের জারণ প্রতিরোধ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধার একটি প্রধান কারণ। নিয়মিত পেঁপে খেলে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে এবং হৃৎপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ কমে।
advertisement
6/6
নাশপাতি ও কিউই: নাশপাতিতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা শরীর থেকে কোলেস্টেরল বের করে দিতে সাহায্য করে। কিউই পটাশিয়াম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস, যা রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই দুটি ফল শুধু শিরা পরিষ্কারই করে না, রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতেও সাহায্য করে, যা সার্বিকভাবে হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Fruits to control Cholesterol: ৫ ফলের পঞ্চবাণ! কোলেস্টেরল রোগীদের কাছে ওষুধের মতো! শিরা থেকে টেনে বার করে নোংরা ময়লা! অবিশ্বাস্য উপকারিতা!