লকআপে গৃহবধূকে দেড় ঘণ্টায় ৩ বার গণধর্ষণ, অভিযুক্ত থানার ওসি ও ৪ পুলিশকর্মী!
Last Updated:
advertisement
1/7

♦ অসুস্থ মাকে দেখতে বাপেরবাড়িতে এসেছিলেন ৷ সেখান থেকে গিয়েছিলেন ভাইয়ের বাড়িতে ৷ সেখান থেকে আবার বাপেরবাড়িতে ফিরছিলেন তিনি ৷ সে সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে মোবাইল চুরির অভিযোগ ওঠে ৷ তবে সেই কাণ্ডটি তিনি করেননি বলেই দাবি ৷
advertisement
2/7
♦ কিন্তু পুলিশ নাকি তাঁর কোনও কথাই শুনতে চাননি ৷ তাঁকে পাকড়াও করে রেলপুলিশ ৷ এরপর তাঁকে লকআপের মধ্যেই প্রথমে ধর্ষণ করে থানার ওসি ৷ অত্যাচার এখানেই শেষ নয় এরপর চারজন পুলিশ আধিকারিকও তাঁকে বেঁধে রেখে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ৷ করা হয় মারধরও ৷ এই অভিযোগে রীতিমতো উত্তপ্ত বাংলাদেশ ৷
advertisement
3/7
♦ মহিলার অভিযোগ, অসুস্থ মাকে দেখতে ওই গৃহবধূ সিলেট থেকে খুলনায় এসেছিলেন। সেখান থেকে যশোরে ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। খুলনায় ফেরার পথে মোবাইল চুরির অভিযোগ ওঠে৷
advertisement
4/7
♦ ফুলতলা স্টেশন থেকে রেলপুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়৷ তাঁর পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ ৷ মহিলার দাবি, মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর পরিজনের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা চাওয়া হয়৷ তবে পরিজনেরা টাকা দিতে পারবেন না বলেই জানিয়ে দেন ৷
advertisement
5/7
♦ তার ফলে থানায় আটক করে রাখা হয় ওই গৃহবধূকে৷ অভিযোগ, বাড়ির লোকজন চলে যাওয়ার পর থানায় আটকে রেখে প্রথমে তাঁকে ওসি ধর্ষণ করে ৷ এরপর একে একে চারজন পুলিশ আধিকারিক ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে বলেও অভিযোগ ৷ গৃহবধূর আরও দাবি, ধর্ষণের পাশাপাশি বেধড়ক মারধরও করা হয় তাঁকে ৷
advertisement
6/7
♦ ঘটনার পরেরদিন তাঁকে আদালতে তোলা হয়৷ বিচারকের সামনে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেন গৃহবধূ৷ পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ জানান তিনি ৷ সেকথা শুনেই বিচারক তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন৷ এই ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়৷ ওই কমিটিকে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ৷
advertisement
7/7
♦ গৃহবধূকে দেড় ঘণ্টায় পরপর তিনবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল জিআরপি থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানের বিরুদ্ধে ৷ এই ঘটনায় আরও চার পুলিশ আধিকারিক জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ৷ গৃহবধূর অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় তাকে থানায় নিয়ে এসে রীতিমতো আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় ৷