বুকে ব্যথা হচ্ছে বলায় সেক্স করতে চেয়েছিলেন স্বামী! বিস্ফোরক অভিযোগ অভিনেত্রীর
Last Updated:
advertisement
1/7

• স্বামী ফারহান মির্জার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন ‘বড়ে আচ্ছে লাগতে হ্যায়’ এবং ‘কবুল হ্যায়’-খ্যাত অভিনেত্রী চাহত খান্না ৷ ২০১৩-র ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে ফারহানের সঙ্গে বিয়ে হয় চাহতের ৷ জোহরা এবং আমাইরা নামের দু’টি মেয়ে রয়েছে চাহতের ৷ সম্প্রতি স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ এনে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন চাহত ৷
advertisement
2/7
• একটি সাক্ষাৎকারে চাহত জানান, বহুদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে অশান্তি চলছে ৷ কিন্তু সামাজিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করে এতদিন চুপ ছিলেন তিনি ৷ ফারহানের সঙ্গে এটা তাঁর দ্বিতীয় বিবাহ ৷ ফের একটা বিচ্ছেদের ভয়েও তাঁকে তাড়া করত বলে জানিয়েছেন চাহত ৷ এর আগে শিল্পপতি ভারত নরসিংঘানির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল অভিনেত্রীর ৷ ওই সাক্ষাৎকারে চাহত বলেন, ‘‘এটা মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল ৷ তাই এ বছরের জুলাই মাসে, ঠিক আমার জন্মদিনের দু’দিন আগে আমি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিই ৷’’
advertisement
3/7
• চাহত বাড়ি ছেড়ে চলে আসার পর ফারহান অবশ্য সকলকে বলেছিলেন, দুই মেয়েকে নিয়ে চাহত নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন এবং তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি ৷ তবে চাহতের দাবি, তিনি সবসময়ই ফারহানের পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন ৷ এমনকি লখনউ পৌঁছানোর পরেও ফারহানকে তিনি জানিয়েছিলেন ৷
advertisement
4/7
• চাহত জানান, ফারহান তাঁকে সন্দেহ করতেন ৷ নিজের ভাইকে নিয়েও সন্দেহ করতেন তিনি ৷ শুধু তাই নয়, ফারহানের ধারণা ছিল চাহত তাঁর সহ-অভিনেতার সঙ্গে ডেট করছেন ৷ ফলে যখন-তখন সেটে হাজির হয়ে যেতেন ফারহান ৷ সেখানেও সিনক্রিয়েট করতেন ৷ এমনকি তাঁর বাড়ি থেকে বেরনোও বন্ধ করে দিয়েছিলেন ফারহান ৷
advertisement
5/7
• সাক্ষাৎকারে চাহাত বলেন, ‘‘দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার সময় আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম ৷ আমার বেবির ওজনও কম ছিল ৷ কিন্তু আমার হাতে একটাও পয়সা ছিল না খাবার কেনার ৷ আমার গাড়ি, গয়না সব বিক্রি করে দিয়েছিল ফারহান ৷ শেষ পর্যন্ত অনলাইনে নিজের জামাকাপড় বেচে কিছু টাকা পেয়েছিলাম ৷ গর্ভবতী থাকাকালীন ফারহান সন্দেহ করত, আমি বেশ্যাবৃত্তি করি ৷ এমনকি ওঁর সন্দেহ ছিল এই সন্তান আদৌ ওঁর নিজের কিনা ৷’’
advertisement
6/7
• ‘‘এর মধ্যে একদিন আমার বুকে বেশ ব্যথা করছিল ৷ আমি ওঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে বলি ৷ কিন্তু ফারহান রাজি হয়নি ৷ শেষ পর্যন্ত আমাদের পারিবারিক ডাক্তারকে ডাকে ফারহান ৷ তিনি আমাকে সোনো ম্যামোগ্রাফি করতে বলেন ৷ এই কথা শোনার পর আমাকে পরীক্ষা করতে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সেক্স করতে বলে ফারহান ৷ সে দিন বুঝি আমি মরে গেলেও ও কোনও পরোয়া করে না ৷’’
advertisement
7/7
• ‘‘ফারহান বরাবর আমাকে আত্মহত্যার হুমকি দিত ৷ মেয়েদের কথা ভেবে তাই আমি এতদিন কিছু করতে পারিনি ৷ আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম ৷ এমনকি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গেও সমস্ত যোগাযোগ করা বন্ধ করে দিয়েছিল ও ৷ বাবা-মাকে ভুল বুঝিয়ে মুম্বই থেকে নৈনিতালে পাঠিয়ে দিয়েছিল ৷ আমার প্রতিটা পদক্ষেপের উপর কড়া নজর রাখত ফারহান ৷ ভাগ্যিস আমায় দেখতে আমার বাবা-মা আবার ফিরে এসেছিলেন ৷’’