From Google to IAS Topper: গুগল ইঞ্জিনিয়ার থেকে আইএএস অফিসার, অনুদীপের দেশের সেবার গল্প প্রেরণা দেবে তরুণ প্রজন্মকে
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
Success Story Of IAS Topper Anudeep Durishetty: ২০১২ সালে তাঁর প্রথম প্রচেষ্টায় তিনি সফল হননি। হাল ছেড়ে না দিয়ে তিনি আরও কঠিন পথ বেছে নিলেন।
advertisement
1/6

অনুদীপের গল্পের শুরুটা কোনও বিশাল অফিসে নয়, বরং তেলঙ্গানার একটি ছোট শহরে হয়েছিল। তিনি একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং একটি শীর্ষস্থানীয় কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যান। অনেক বন্ধুর মতো তিনিও গুগলে একটি স্বপ্নের চাকরি পেয়ে যান, যেখানে তাঁর মাসিক বেতন ছিল লাখ লাখ টাকা। বেশিরভাগ মানুষের কাছে এটাই চূড়ান্ত সাফল্য। কিন্তু অনুদীপের ক্ষেত্রে ছোটবেলার একটি স্বপ্ন তখনও মনের ভেতরে জ্বলজ্বল করছিল: একজন আইএএস অফিসার হিসেবে দেশের সেবা করার স্বপ্ন।
advertisement
2/6
এই স্বপ্নই তাঁকে UPSC পরীক্ষার জন্য চেষ্টা করতে উৎসাহিত করে, যাকে প্রায়শই বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বলা হয়। ২০১২ সালে তাঁর প্রথম প্রচেষ্টায় তিনি সফল হননি। হাল ছেড়ে না দিয়ে তিনি আরও কঠিন পথ বেছে নিলেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে গুগলের তাঁর কঠিন চাকরিটি বজায় রেখেই রাতে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন। তিনি কাজের পর পড়াশোনা করতেন যখন অন্যরা বিশ্রাম নিত, দিনে স্প্রেডশিট আর রাতে পড়াশোনার নোটের মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলতেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রম ফল দিয়েছিল।
advertisement
3/6
২০১৩ সালে তাঁর পরবর্তী প্রচেষ্টায় তিনি ভাল র‍্যাঙ্ক নিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে (আইআরএস) যোগদান করেন। অনেকের কাছে এটাই হত একটি গর্বের চূড়ান্ত পরিণতি। কিন্তু অনুদীপের জন্য আসল লক্ষ্য তখনও অধরা ছিল। তিনি আইআরএস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে করতেই আবারও আইএএস-এর জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন।
advertisement
4/6
২০১৭ সালে তিনি আবার পরীক্ষায় বসলেন। এবার যখন ফলাফল ঘোষণা করা হল তার নাম ছিল তালিকার একেবারে শীর্ষে। অনুদীপ দুরিশেট্টি ইউপিএসসি সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ১ টপার হয়েছিলেন।
advertisement
5/6
তাঁর এই যাত্রা আমাদের কয়েকটি সহজ সত্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়। প্রথমত, ব্যর্থতা কোনও সমাপ্তি নয়, এটি কেবল একটি ধাপ। তিনি একবার ব্যর্থ হয়েছিলেন, কিন্তু এগিয়ে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয়ত, আরাম এবং বড় বেতনই সবাইকে চালিত করে না; একটি গভীর উদ্দেশ্য অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে। সবশেষে, বর্তমান দায়িত্বগুলো পালন করতে করতেই ধৈর্য ধরে একটি বড় লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
advertisement
6/6
তিনি পড়াশোনার জন্য চাকরি ছাড়েননি, তিনি শৃঙ্খলার সঙ্গে দুটোই সামলেছেন। অনুদীপ কোনও দামি কোচিং ক্লাসের সাহায্য নেননি। তিনি তার নিজের বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনা, স্ব-অধ্যয়ন এবং তার স্বপ্নের প্রতি অটল বিশ্বাসের উপর নির্ভর করেছিলেন। তাঁর গল্পটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবনের সেরা প্রাপ্তি কে কোথা থেকে শুরু করলেন বা কার কাছে ইতিমধ্যেই কী আছে, তার উপর নির্ভর করে না। এগুলো হল নিজের ভেতরের সেই শান্ত কণ্ঠস্বরটি শোনার এবং সেটিকে অনুসরণ করার সাহস রাখার বিষয়- ধাপে ধাপে, প্রতি রাতে- যতক্ষণ না নিজের গন্তব্যে পৌঁছানো যায়!