'ভীষণ ভাল লাগছে, কিন্তু একটু... কী হবে?' শিক্ষকের চাকরি পেয়েও দুরু দুরু বুক, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন শিক্ষিকা
- Reported by:Sudipta Sen
- news18 bangla
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
SSC Teacher 2026: এসএসসি চাকরি পেয়ে ১৭২ জনের মুখে ফুটল জয়ের হাসি! হাতে হাতে সুপারিশপত্র। মার্চেই হয়ত মিলবে নিয়োগপত্র! অথচ চাকরির সুপারিশপত্র হাতে পেয়েও ভয় যেন পিছু ছাড়ছে না! কী বলছেন বাংলার এই ভাবী শিক্ষিকা?
advertisement
1/7

বিধানসভা ভোটের আগেই হাতে হাতে নিয়োগপত্র। ১৭২ জন ভাবী শিক্ষক-শিক্ষিকার মুখে ফুটল জয়ের হাসি! শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে যাবতীয় টালবাহানা, মামলা, শুনানি শেষে অবশেষে প্রকাশিত হয় মেধাতালিকা। আর তার ঠিক একমাসের মাথায় হল এসএসসি একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সেলিং।
advertisement
2/7
সফল প্রার্থীদের হাতে সুপারিশপত্র দেওয়ার প্রথম দফার প্রক্রিয়া চলেছে মঙ্গলবার ও বুধবার। মেধা তালিকা প্রকাশের প্রায় একমাসের মাথায় সুপারিশপত্র। আর এবার খুব শিগগিরই হাতে হাতে শিক্ষক নিয়োগের নিয়োগপত্রও পেতে চলেছেন সফল প্রার্থীরা। সম্ভবত মার্চ মাসেই নিয়োগপত্র হাতে পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা।
advertisement
3/7
একাধিক বিষয়ে রাজ্যের থেকে জাতিভিত্তিক ও বিষয় ভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা পাওয়ার পর এসএসসি শুরু করল কাউন্সিলিং। ৭টি বিষয়ের কাউন্সিলিং মঙ্গল ও বুধবার প্রথম পর্যায়ে করল এসএসসি। দু'দিন মিলিয়ে মোট ১৭২ জন সফল প্রার্থী পেলেন সুপারিশ পত্র।
advertisement
4/7
সুপারিশপত্র নেওয়ার লাইনেও রয়েছে কড়াকড়ি। হাজার টালবাহানার পর চাকরির 'চিঠি' হাতে পেয়ে নিঃসন্দেহে অনেকটাই আস্বস্ত পরীক্ষার্থীরাও। যেই কাগজের অপেক্ষা ও দোলাচলে দিন কেটেছিল গত কয়েক মাস। আদৌ পরীক্ষা হবে তো, আদৌ ন্যায় বিচার হবে তো ইত্যাদি প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল মনের কোণে।
advertisement
5/7
বুধবার প্রথম শিফটে সুপারিশ পত্র পেয়েছেন যাঁরা তাঁরা বেশিরভাগই ফ্রেশার্স ক্যান্ডিডেট অর্থাৎ নতুন পরীক্ষার্থী। সুপারিশপত্র নেওয়ার লাইনে প্রত্যেক প্রার্থীকেই ইন্টিমেশন পত্র ও আইডেন্টিটি প্রুফ নিয়ে ভেতরে ঢুকতে হচ্ছে। সেখানেই নিউজ 18 বাংলার মুখোমুখি হলেন একাধিক শিক্ষক। কথা বলতে গিয়ে নিজেদের চোখে মুখে ফুটে উঠল আবেগ।
advertisement
6/7
লাইনে দাঁড়িয়ে চাকরিপ্রার্থী স্নেহাস্মি লাহা বললেন, "ভীষণ ভাল লাগছে। তবে একটু ভয় লাগছে, কী হবে? দেখা যাক।" নতুন চাকরির গন্ধে মশগুল আরেক নতুন শিক্ষিকা প্রিয়া মণ্ডল, বললেন, "ভালই লাগছে। এখন দেখা যাক কী হয়।" কিছুতেই যেন কাটছে না অনিশ্চয়তার সিঁদুরে মেঘ!
advertisement
7/7
নিয়োগ পত্র হাতে পেয়ে প্রার্থী কৃষ্ণমৃত্তিকা নাথ জানালেন, ‘‘আমার শত্রুর সঙ্গেও যেন এরকম না হয়৷ সামাজিক অনেক কটূক্তি, লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে৷ নিজের ঢাক নিজেকে পেটাতে হয়েছে যে আমি ইউনিভার্সিটি টপার ছিলাম৷ এটা আমার কাছে লজ্জার৷’’ আরেক চাকরিপ্রার্থী অবশ্য বললেন, সাপে বর হয়েছে। আগেরবার দ্বিতীয় হয়েছিলাম। এবারের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছি আমি।"