নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তৃণমূলের তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিলীপবাবুর দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে শুরু করে দেদার রিগিং এবং ভুয়ো ভোটারের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছেন এক শ্রেণির পুলিশ আধিকারিক। তাঁর বক্তব্য, “এতদিন ধরে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে সাহায্য করেছেন, তাঁদের তো কমিশন সরাবেই। নিরপেক্ষ কাজ হলে এঁদের সমস্যা কোথায়?” একইসঙ্গে মেদিনীপুরের এসপি এবং খড়গপুরের আইসি-র বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘বদলি হওয়ার পরেও কেন আধিকারিকরা সরকারি বাংলো দখল করে আছেন, তা নিয়ে কমিশনে নালিশ জানাব।’
advertisement
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বেগকে ‘প্রচার’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দিলীপ। তাঁর কথায়, “দেশের চিন্তা মোদিজি করবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের কথা ভাবুন। ১৫ বছরেও রাজ্যে জল দিতে পারলেন না, আর এখন তেল-গ্যাস নিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন কেন?” রাজ্যের মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
আরও পড়ুনঃ ইন্ডাকশন, এসির ব্যবহারে হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে বিল! সহজ ‘এই’ টোটকা মানুন, কারেন্টের বিল হবে অর্ধেক
রামনবমীতে মুখ্যমন্ত্রীর ‘দাঙ্গা’ সংক্রান্ত হুঁশিয়ারিকে পাল্টা কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “রামনবমী বাংলার হিন্দু সমাজকে নতুন সাহস দেয়। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই দাঙ্গা করতে চাইছেন বলেই ভয় দেখাচ্ছেন। খড়গপুরে এমন কোনও চেষ্টা করবেন না, ফল উল্টো হবে।” বাসন্তীর হিংসার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা এবং সন্দেশখালি ইস্যুতে ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া নিয়েও রাজ্যকে একহাত নেন তিনি। আগামীকাল দলের ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফর ঘিরে বিজেপি শিবিরে এখন সাজ সাজ রব। সেই প্রেক্ষিতেই দিলীপের এই ‘তপ্ত’ মেজাজ জঙ্গলমহলের রাজনৈতিক উত্তাপকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





