আদিবাসী অধ্যুষিত কেশিয়াড়িতে এবার রাজনীতির রঙ ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে খেলোয়াড়ী সত্তা। বিজেপি প্রার্থী ভদ্র হেমরমের পরিচিতি এলাকায় একজন দক্ষ স্ট্রাইকার হিসেবে। স্কুলস্তর থেকেই একাধিক বড় টুর্নামেন্টে নিজের পায়ের জাদু দেখিয়েছেন তিনি। এখন ভোটের প্রচারে দম ফেলার সময় নেই, তাও শরীরচর্চায় বিন্দুমাত্র খামতি রাখছেন না তিনি। প্রতিদিন ভোরে নিয়ম করে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন ভদ্র বাবু। তাঁর কথায়, “খেলাধুলা শরীর ও মন দুই-ই ভালো রাখে, আর রাজনীতির লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে দমের প্রয়োজন।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবার থেকে কর্মবিরতির আগে টলিপাড়ায় ম্যারাথন শ্যুটিং, ১৪ ঘণ্টার বদলে ২৮ ঘণ্টা কাজ
পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন রামজীবন মান্ডি। ফুটবল মাঠে গোল আটকে দেওয়া যাঁর নেশা ছিল, তিনি এখন রাজনীতির ময়দানে প্রতিপক্ষকে রুখতে মরিয়া। গোলকিপিংয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন কৃতি অ্যাথলিট। প্রচারের ব্যস্ততার ফাঁকে সময় পেলেই তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন চেনা খেলার মাঠে।
কেশিয়াড়ির মাটি বরাবরই ক্রীড়াপ্রেমী। এই জনপদ থেকে উঠে আসা বহু ছেলেমেয়ে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে। এমতাবস্থায় দুই খেলোয়াড় প্রার্থীর এই লড়াই ঘিরে টানটান উত্তেজনা এলাকায়। রাজনীতির অলিন্দে শেষ পর্যন্ত গোল দেবেন কে, আর কার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে—তা সময়ই বলবে। আপাতত কেশিয়াড়ির ভোটযুদ্ধ যেন এক রুদ্ধশ্বাস ফুটবল ডার্বির রূপ নিয়েছে। শেষ হাসি কে হাসবেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে মেদিনীপুর।