অভিযোগ, রাত প্রায় ৯টা বা ১০টার পর জরুরি প্রয়োজনে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে গেলে কার্যত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। হাসপাতাল সংলগ্ন একাধিক ওষুধের দোকান রাত ১০টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে হঠাৎ কোনও রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অতিরিক্ত ওষুধের প্রয়োজন পড়লে তা জোগাড় করা দুষ্কর হয়ে উঠছে। অনেকক্ষেত্রে ডাকাডাকি করেও দোকান খোলা পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।
advertisement
হাসপাতালের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে, রোগীদের জন্য বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সবসময় সব ধরনের ওষুধ হাসপাতালের ভাণ্ডারে মজুত থাকে না। বিশেষ করে কিছু জরুরি ও বিশেষ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতেই হয়। সেই সময়েই মূল সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রোগীর পরিবাররা।
স্থানীয়দের মনে আছে, কয়েক বছর আগে হাসপাতাল সংলগ্ন ওষুধ দোকানগুলির মধ্যে পালা করে প্রতিদিন অন্তত একটি দোকান রাতভর খোলা রাখা হত। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর পরিবারদের খুব একটা সমস্যায় পড়তে হত না। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কেন এই ব্যবস্থা বন্ধ হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে রাতে চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে ওষুধ প্রাপ্তির বিষয়টিও নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীর পরিবারদের মতে, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনই রাতের পরিষেবাও আরও সুসংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। রোগীদের পরিবারের দাবি, অন্তত একটি ওষুধের দোকান সারারাত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হোক, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে আর কোনও রোগী বা পরিবারকে ভোগান্তির মুখে পড়তে না হয়।





