তোফিজুলের পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী ও দুই সন্তান। কিন্তু আর্থিক সচ্ছলতা কখনওই তাদের জীবনে আসেনি। নিজের কোনও জমিজমা নেই। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও সুযোগ-সুবিধা পাননি বলে দাবি তাঁর। একইভাবে প্রায় ছোট থেকেই দু’টি পায়ে জোর নেই। চলাফেরা করার ক্ষমতা কম দুই পায়ে। তবে সংসার এবং পেট বড় বালাই। এভাবেই দিনানিপাত করতে হয় তাকে। কারণ তার পরিশ্রমে উনুনে চড়বে হাঁড়ি।
advertisement
তবুও হার মানেননি তোফিজুল। প্রতিবন্ধকতা নিয়েই প্রতিদিন মোটরবাইক চালিয়ে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন। গ্রাম থেকে গ্রাম ঘুরে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জুতো বিক্রি করেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রমের পর দিনের শেষে তাঁর আয় হয় গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এই সামান্য আয় দিয়েই স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। জীবনের প্রতিটি দিনই যেন তাঁর কাছে এক নতুন লড়াই। তোফিজুল শেখ বলেন, “দু’টি পা অকেজো হলেও হাল ছাড়িনি। যতটা পারি চেষ্টা করি। সারাদিন ঘুরে ২০০–৩০০ টাকা রোজগার হয়। এই টাকায় সংসার চালান খুবই কষ্টের।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবুও সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে নিজের পরিশ্রম আর অদম্য মনোবল দিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি। দারিদ্র্য আর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও জীবনের সঙ্গে লড়াই করে চলা তোফিজুল শেখ আজ অনেকের কাছেই এক অনুপ্রেরণার নাম।





