জানা গিয়েছে, জেলার হাসপাতালগুলোতে লোকবল কম থাকায় আপাতত দু’টি হাসপাতালে এই পরিষেবা চালু হল। একটি ডেবরা এবং অন্যটি ঘাটাল। পরে জেলার বাকি হাসপাতালগুলোতে বিকেলের আউটডোর পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
advertisement
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ধীরে ধীরে ইভিনিং ওপিডি পরিষেবা চালু হবে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক সুপার স্পেশালিটি, স্টেট জেনারেল, মহকুমা ও জেলা হাসপাতালে। এছাড়া স্ত্রীরোগ-প্রসূতি ও শিশু বিভাগের আউটডোর প্রথম চালু হয়েছে।
জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক সৌম্যশঙ্কর সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, ‘জেলায় বিকেলের আউটডোর বা ইভিনিং ওপিডি চালু হল। এই পরিষেবা চালু হওয়ায় মাঠে কাজ করেন বা দিনমজুরের কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা খুবই উপকৃত হবেন। সাধারণ মানুষকে আরও উন্নতমানের পরিষেবা দেওয়া আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
সবংয়ের বাসিন্দা শ্রীমন্ত মান্না ও অশোক সামন্ত বলেন, সকালে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে ছুটি নিতে পারেন না। আবার চাষিরাও বিকেলের পরে ফাঁকা থাকেন। সেই সময় ওপিডি চালু হওয়ায় মানুষ উপকৃত হবেন। দারুণ উদ্যোগ স্বাস্থ্য দফতরের। তবে সমস্ত বিভাগ গুলি চালু করলে আরও ভালো হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা জানান, দু’দিন ধরে মোটামুটি লোকজন আসতে শুরু করেছে। আশা কর্মীদের দিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়ায় পাড়ায় প্রচার চালানো হবে।
